সর্বশেষ

Wednesday, January 19, 2022

অস্ত্র, গোলাবারুদ, স্বর্ণালঙ্কার, জাল নোট সহ বিভিন্ন অপরাধে বছরে ৪৭৮ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ এপিবিএন

অস্ত্র, গোলাবারুদ, স্বর্ণালঙ্কার, জাল নোট সহ বিভিন্ন অপরাধে বছরে ৪৭৮ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ এপিবিএন

শফিক আজাদ :



কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃংখলার দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিভিন্ন অপরাধের জড়িত তালিকাভুক্ত ৪৭৮জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আটক করেছে।


বুধবার(১৯ জানুয়ারি) দুপুরে উখিয়ার রাজাপালংস্থ ৮এপিবিএন’র সদর দপ্তরে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর কমান্ডিং অফিসার মোহাম্মদ সিহাব কায়সার খান পিপিএম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সন্ত্রাসী আটকের পাশাপাশি এক বছরে ১৩২টি দেশীয় অস্ত্র, ২৬ রাউন্ড কার্তুজ, ৯০৮ গ্রাম স্বর্ণ, অবৈধ মিয়ানমারের মুদ্রা ৩ লাখ ৩৫হাজার ১৮৫ কিয়াত, জাল নোট ৫০হাজার, ফায়ার আর্মস ৮টি, ইয়াবা ৮ লাখ ৭০হাজার, গাজা ১ কেজি, ১১.৩০ লিটার অ্যালকোহল আটক করা হয়।


তিনি আরো বলেন, এক বছর ধরে “ক্যাম্পে রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের নিরাপত্তার দায়িত্বে ৮এপিবিএন সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মাদক,অস্ত্র সহ সকল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সফলতার সহিত ৮এপিবিএন দায়িত্ব পালন করে আসছে। এতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।”


উক্ত সভার শুরুতেই ৮ এপিবিএন এর বছরব্যাপী কার্যক্রম এবং সাফল্য তুলে ধরা হয়। এরপর সাংবাদিকবৃন্দের মূল্যায়ন গ্রহণ করা হয়। মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকবৃন্দের হাতে ৮ এপিবিএন এর স্মারক মূদ্রা তুলে দেয়া হয়।


সভায় ব্যাটালিয়নের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উখিয়াস্থ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার নের্তৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tuesday, January 18, 2022

টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে ১৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে ১৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক:




কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা জাদিমুড়া এলাকায় র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৫) সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ১৫ হাজার ইয়াবাসহ মো. আব্দুল্লাহ প্রকাশ মোচনী (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে।


সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুড়া এলাকা থেকে তাকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়।  


আটক মো. আব্দুল্লাহ ওই ইউনিয়নের দমদমিয়া ন্যাচারী পার্ক এলাকার মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে।


কক্সবাজার র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক ( ল’ এন্ড মিডিয়া ) মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, র‍্যাব-১৫ টেকনাফ ক্যাম্পের আভিযানিক দল টেকনাফ থানাধীন হ্নীলা ইউনিয়নস্থ জাদিমুড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবগত হয়ে অভিযান পরিচালনা করে।



অভিযান চলাকালে র‍্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পলায়নের চেষ্টাকালে মো. আব্দুল্লাহ প্রকাশ মোচনী (২৫) কে আটক করতে সক্ষম হয়। তখন উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটক ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করে হাতে থাকা ব্যাগের ভিতর থেকে ১৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজ করে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে ।

পুকুরে পড়ে নিহত দুই এসআই, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন আসামি

পুকুরে পড়ে নিহত দুই এসআই, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন আসামি

নিউজ ডেস্ক :



নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় পুলিশের সদস্য বহনকারী একটি প্রাইভেটকার পুকুড়ে পড়ে দুই উপপরিদর্শক (এসআই) নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই)। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সোনারগাঁ পৌরসভার দত্তপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান।


নিহতরা হলেন- ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার মুনসুরাবাদ গ্রামের কাজী নুরুল ইসলামের ছেলে কাজী সালেহ আহম্মেদ ও গোপালগঞ্জের চরভাটপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে এসএম শরীফুল ইসলাম। তারা সোনসারগাঁ থানায় কর্তরত ছিলেন।


জানা গেছে, পুলিশের দুই এসআই নিহত হওয়ার ঘটনায় সেই গাড়িটি চালাচ্ছিলেন আসামি। আসামিকে দিয়ে গাড়ি চালানোয় সে কৌশলে গাড়ি খাদে ফেলে নিজে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখনো আসামি পলাতক আছে বলে নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোস্তাফিজুর রহমান।


পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, গোপন সূত্রে খবর ছিল টেকনাফ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবার একটি চালান আসছে, খবর পেয়ে সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোলপ্লাজায় তল্লাশি চৌকি বসায় পুলিশ। এ সময় আসামির গাড়িকে সিগন্যাল দিলে দ্রুত সেটি পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে। পরে পুলিশের আরেকটি টিম মোগড়াপাড়া এলাকায় ধাওয়া করে আসামি আলমগীর হোসেনকে গাড়িসহ এবং ৪২ হাজার ইয়াবা বড়িসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।


গ্রেফতারের পর আসামিকে নিয়ে তারা সরাসরি জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে চলে আসে। এ সময় আসামিই গাড়ি চালায়। এসপি অফিসে তাদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের পর এবার থানার ফেরার পথে আসামিকে নিয়ে থানায় রওয়ানা দেন দুই এসআই ও এক এএসআই। তবে, তাদের তিনজনের কেউই গাড়ি চালাতে পারেন না ফলে আসামিকে দিয়েই গাড়ি চালানো হয়। আসামি গাড়ি চালিয়ে সোনারগাঁয়ের দত্তপাড়া এলাকায় এলে তিনি গাড়ি থেকে কৌশলে লাফিয়ে পড়ে গাড়ি খাদে ফেলে দেয়। এতে দুই এসআই মারা যান ও এএসআই গুরুতর আহত হন। এসময় আসামি পালিয়ে যায়।


সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এসএম শফিকুল ইসলাম জানান, নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং শেষে সোনারগাঁ থানায় কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী সালেহ আহম্মেদ, শরিফুল ইসলাম ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রফিকুল ইসলাম মাইক্রোবাস যোগে থানায় ফিরছিলেন। পথে সোনারগাঁয়ের দত্তপাড়া এলাকায় তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসটি খাদে পড়ে যায়। এ সময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কাজী সালেহ আহম্মেদ ও শরিফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।

BD24live

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও আগুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও আগুন

নিউজ ডেস্ক :



 

কক্সবাজারের উখিয়া কাম্পে আগুনে পুড়ে গেছে ২৯ বসতি। তবে কেউ হতাহত হয়নি। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ২টার দিকে উখিয়ার ইরানী পাহাড়ের ৫ নম্বর ক্যাম্পে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে ফায়ার সার্ভিস ও এপিবিএন সদস্য ঘণ্টাখানেকের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।


 

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-১৪ (এপিবিএন)-এর অধিনায়ক নাইমুল হক জানান, ক্যাম্পে আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আমাদের লোকজন পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।  ঘণ্টাখানেকের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ক্যাম্প-৫ এর আওতাধীন মেইন ব্লক-বি, সাব ব্লক-বি/৩ এবং ডি/২ তে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। উক্ত আগুনে সাব ব্লক-বি/৩ এর ২৫ টি এবং ডি/২ এর ৪ টি বসতি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি বলে জানান এপিবিএন অধিনায়ক।

প্রসঙ্গত, গত ৯ জানুয়ারি উখিয়ার শফিউল্লাহ কাটা নামে একটি শরণার্থী শিবিরে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৬০০টি ঘর পুড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় হারিয়েছে।


 


এর আগে, গত ২ জানুয়ারি উখিয়ার বালুখালী ২০ নম্বর ক্যাম্পে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা (আইওএম) পরিচালিত করোনা হাসপাতালে আগুন লাগে। এতে কেউ হতাহত না হলেও হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারের ১৬টি কেবিন পুড়ে যায়।

এছাড়া গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার বালুখালীতে আরেক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু হয় অন্তত ১২ জন রোহিঙ্গার। আগুনে পুড়ে যায় ১০ হাজারের বেশি ঘর।

দৈনিক কক্সবাজার

Sunday, January 16, 2022

কক্সবাজারে পকেটমারের ছুরিকাঘাতে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীসহ আহত ২

কক্সবাজারে পকেটমারের ছুরিকাঘাতে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীসহ আহত ২

নিউজ ডেস্ক :



কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পকেটমারের ছুরিকাঘাতে বিকাশ চাকমা (২৩) নামে হাসপাতালের এক নিরাপত্তারক্ষী ও করোনার টিকা নিতে আসা জাকির হোসেন (২৮) নামে অপর এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।


গতকাল শনিবার সকালে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। আহত জাকির হোসেনকে উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। জাকির হোসেন কক্সবাজার শহরতলীর দরিয়ানগর বড়ছড়া এলাকার মাস্টার মঞ্জুর আলমের ছেলে।


আহত নিরাপত্তারক্ষী বিকাশ চাকমা জানান, করোনার টিকা নিতে এসে সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন জাকির হোসেন। হঠাৎ এক যুবক তাকে ছুরিকাঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ওই যুবককে আটকানোর চেষ্টা করলে তাকেও (নিরাপত্তারক্ষী) ছুরিকাঘাত করে। এতে তার হাতের একটি আঙুল কেটে যায়।


জাকির হোসেনের ভগ্নিপতি আমিনুল ইসলাম বলেছেন, জাকিরের পেছনে দাঁড়িয়ে তার পকেট সাফাই করার সময় ওই যুবককে বাঁধা দেয়া হলে সে জাকিরের বুকে, পেটে ছুরিকাঘাত করে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় বিকাশ চাকমা এসে বাঁধা দিলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে ওই পকেটমার।


তবে এত অঘটন ঘটিয়েও হাসপাতালের নিরাপদ ঘেরটোপ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় সেই ছুরি হাতের যুবকটি। তবে হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে বলে জানান কক্সবাজার সদর থানার ওসি (অপারেশন) মো. সেলিমউদ্দিন।

কক্সবাজার জার্নাল

Saturday, January 15, 2022

বিধিনিষেধ না মানলে লকডাউন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিধিনিষেধ না মানলে লকডাউন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক :




স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকস্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

চলমান ১১ দফা বিধিনিষেধ অমান্য করলে লকডাউন দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণের উর্ধ্বগতি রুখতে বিধিনিষেধ না মানলে লকডাউন দেওয়া হবে।’ আজ শনিবার (১৫ জানুয়ারি) মানিকগঞ্জে এ কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, করোনা ঊর্ধ্বমুখী। গত একদিনে প্রায় ৪ হাজার ৪০০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর শতকরা হার ১৩ ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিন এক থেকে তিন শতাংশ হারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এটা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে প্রায় ১ শতাংশ লোকের আইসিইউ প্রয়োজন হচ্ছে। আর এই হারে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে হাসপাতালে জায়গা হবে না।


করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ১০ জানুয়ারি ১১টি বিধিনিষেধ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গত ১৩ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ ১১ দফা নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও দেশে এ রোগের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো। ১৩ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ১১ দফা মেনে চলতে হবে।

Friday, January 14, 2022

বিছানায় গৃহবধূর লাশ, স্বামী,শ্বশুর- শ্বাশুড়ি পলাতক

বিছানায় গৃহবধূর লাশ, স্বামী,শ্বশুর- শ্বাশুড়ি পলাতক

নিউজ ডেস্ক :





যৌতুকের দাবীতে কক্সবাজারের পেকুয়ায় হুরে জন্নাত (১৮) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে ও বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হুরে জান্নাতের মৃতদেহ বিছানায় রেখেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে তার স্বামী ও শ্বশুর শ্বাশুড়ি।


শুক্রবার দুপুরে উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম উজানটিয়া পাড়া এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত গৃহবধূ পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম উজানটিয়া পাড়া এলাকার মোঃ রিফাতের স্ত্রী ও পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মছিন্যাকাটা ৭নং ওয়ার্ডের মৌলভী আবু বক্করের মেয়ে।


নিহতের বাবা মৌলভী আবু বক্কর বলেন, দেড় বছর আগে আমার মেয়ের সঙ্গে রিফাতের বিয়ে হয়। তার ঘরে পাঁচ মাস বয়সী একজন মেয়ে আছে। বিয়ের পর থেকে স্বামী রিফাত যৌতুকের জন্য হুরি জান্নাতকে মারধর করতো। সন্তান-সংসারের কথা চিন্তা করে এ নিয়ে বেশ কয়েকবার মেয়ের শ্বশুড়বাড়িতে স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়েছে। কিন্তু তাঁদের চাহিদা মতো যৌতুক দিতে না পারায় আমার মেয়েরে ওপর নির্যাতন বন্ধ হয়নি।


এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে আমার মেয়েকে আবারও মারধর করে স্বামী রিফাতও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। মারধরের এক পর্যায়ে বালিশ চাপা দিয়ে আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়। পরে লাশ ঘরে রেখে সকলেই পালিয়ে যায়।


তিনি আরো বলেন, প্রতিবেশী মারফত মেয়েকে মারধরের খবর পেয়ে মেয়ের বাড়ি আসি। এসে দেখি আমার মেয়েকে হত্যা করেছে ওরা।


নিহতের বাবা আরো বলেন, আমার মেয়ের সমস্ত শরীরে আঘাতের চিহ্ন রযেছে। তার হাত পা, পিঠ কালচে বরন ধারন করেছে।


পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুহাম্মদ আলী বলেন, খবর পেয়ে গৃহবধূ হুরে জান্নাতের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে।

কক্সবাজার জার্নাল