মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৯

চাহিদা বাড়ায় বাড়ছে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের দাম | sstvbangla.com


এসএসটিভি ডেক্সঃ- এক মাসের ব্যবধানে ঢাকায় ভয়াবহ দুইটি অগ্নিকান্ডের পর অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করায় সচেতন হয়ে উঠেছেন বিভিন্ন কারখানা,প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ও ভবন মালিক। গত ২০ ফেব্রুয়ারি চকবাজারের চুড়িহাট্টায় আর ২৮ মার্চ বনানীর এফআর টাওয়ারে অঘিগ্নকান্ডে প্রায় আনেক মানুষের প্রাণহানির পর ঢাকার ভবনগুলোতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার অভিযানের মুখে অগ্নিনির্বাপণের সরঞ্জাম সংগ্রহ করছেন তারা। গত কয়েকদিনে রাজধানীতে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের দোকানগুলোতে বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় বিক্রেতারাও সুযোগ বুঝে এসব সরঞ্জামের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। ঢাকার নবাবপুরের পাইকারি ও খুচরা অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জাম বিক্রেতারা জানিয়েছেন, হাসপাতাল, পোশাক কারখানা সহ অন্যান্য বড় বড় প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা আগে থেকেই আছে। কিন্তু কোনো গুদাম, অফিস, আবাসিক বহুতল ভবনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় বেশ ঘাটতি আছে। মূলত এইসব ভবন সংশ্লিষ্টরাই এবার সরঞ্জাম সংগ্রহ করছেন। এক সুত্র জানাজায় বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা বেড়েছে ফায়ার এক্সটিংগুইশারের। ফোম সিলিন্ডার, কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ও এবিসি ড্রাই পাউডারও বিক্রি হচ্ছে ভালো। এছাড়া ধোঁয়ার অ্যালার্ম, নিরাপত্তা বেল্ট, চশমা, হেলমেট, অক্সিজেন , মাস্ক, ফায়ার ড্রেস, পানির হোস পাইপ, ফায়ার বল, বালতি, ফায়ার অ্যালার্ম, স্ট্রেচারসহ আগুন নেভানোর অন্যান্য সরঞ্জামের বিক্রিও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। বিক্রেতারা জানান, মান ও কোম্পানি ভেদে একটি ফায়ার এক্সটিংগুইশার এক হাজার দুইশত টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম কম থাকায় রাসায়নিক পাউডারের এক্সটিংগুইশার বেশি বিক্রি হচ্ছে। এ ধরনের ছোট আকারের একটি এক্সটিংগুইশার এক হাজার দুইশত টাকা থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব এক্সটিংগুইশারের দাম হাজার টাকার নিচে ছিল বলে জানিয়েছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। এছাড়া ফায়ার অ্যালার্ম, ধোঁয়ার অ্যালার্ম, নিরাপত্তা বেল্ট, চশমা, অক্সিজেন মাস্ক, ফায়ার ড্রেস, পানির হোস পাইপ, বালতি, হেলমেটের দামও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। তবে এসব সরঞ্জামের দাম খুচরা পর্যায়েই বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পাইকারি বিক্রেতারা। কল-কারখানা বা বড় কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য আগুন ডিটেকশন বা প্রোটেকশনের যন্ত্রপাতির চাহিদা আগের মতই রয়েছে । 

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।