সোমবার, ৮ জুলাই, ২০১৯

পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রধান সেতু নির্মাণে ৮২ শতাংশ নির্মাণ কাজ শেষ

পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রধান সেতু নির্মাণে ৮২ শতাংশ নির্মাণ কাজ শেষ হলেও, প্রকল্পটির নদী প্রশাসনের অগ্রগতির পরিমাণ ৫৯ শতাংশ। রোববার সংসদে অনুষ্ঠিত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক জমা দেওয়া এই তথ্য পাওয়া গেছে।

বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য, চ্যালিম উদ্দিন তরফদার সাংবাদিকদের বলেন, "মেগা প্রকল্পের কাজ বিশেষ করে পদ্মা সেতু ও ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে কমিটি।"

রিপোর্টে বলা হয়েছে যে এই বছরের জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতুতে ২৬৬ টি পিল্লির ২৯টি এবং ৪৮টি পিয়ার কলামের ২৫টি নির্মাণ শেষ হয়েছিল। ৩০শে জুন ১৪তম বিধান স্থাপনের মাধ্যমে সাড়ে দেড় কিলোমিটার সেতু দৃশ্যমান হয়েছে। জুনে জাজিরা ও মওরার সংযোগ সড়ক ও সেবার সেক্টর ২টি প্রকল্প ১০০শতাংশ শেষ করে। প্রকল্পের সামগ্রিক শারীরিক অগ্রগতি ৭১শতাংশ দেখানো হয়েছে।

এছাড়া ইয়ার্ডের ভিতরে রাখার জায়গা না থাকায় জাজিরায় ৩টি স্প্যান অস্থায়ীভাবে তুলে রাখা হবে। তবে এগুলো মূল পিলারের পরিবর্তে রাখা হবে অস্থায়ীভাবে নির্মিত একটি কাঠামোর ওপর।

পদ্মা সেতুতে মোট ১লক্ষ ৬৯হাজার ৯৫৭টি গাছ রয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সময়ে, একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে। এই জাদুঘরে দুই বা ২৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, কমিটি বিআরটিসি ডেপুট পরিচালকদের অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সুপারিশ করে। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় দ্রুত ও টেকসই কাজ করার জন্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।


মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত নির্মাণাধীন উড়ালসেতুর কাজ ২০২২ সালের মার্চ নাগাদ শেষ হবে। এ–সংক্রান্ত অগ্রগতির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়ালসেতুর ১৪৭টি স্প্যানে আই গার্ডার বসানো হয়েছে।
জানেত চাইলে কমিটির সদস্য ছলিম উদ্দীন তরফদার প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ, বিশেষ করে পদ্মা সেতু ও উড়ালসেতুর কাজ যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হয়, সে বিষয়ের ওপর জোর দেওয়ার জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ করেছে।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।