বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯

চট্টগ্রামের স্কুলের বাচ্চাদের নিয়ে- এরা তো অবুঝ! স্কুল কর্তৃপক্ষ কি অবুঝ? স্কুলে ঢুকে ‘হরে রাম, হরে কৃষ্ণ’ স্লোগান দেয়ানো হচ্ছে।





ট্টগ্রামের স্কুলের বাচ্চাদের নিয়ে যা হলো কি আর বলবো! এরা তো অবুঝ! স্কুল কর্তৃপক্ষ কি অবুঝ? তারা কোন সাহসে আমাদের বাচ্চাদের হারাম খাদ্য গিলানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছে? এদেরকে ধরেন, জবাব চান। কোন ছাড় দিবেন না স্কুল কর্তৃপক্ষকে, সবাই যান প্লিজ। মাটি এখনো নরম আছে, শক্ত হতে দিবেন না আর।

এখন আসি কুমিল্লায়, এদের কি বলবো?

পড়েছ টুপি, শিখেছ হিজাব কভু কি পড়োনি?
আল্লাহ বিনে অন্য নামে জবাইতে খেলে খাবার দিবেন আল্লাহ আজাব! এরা কি আয়াতটি জানে না!


আল্লাহ সূরা নাহলের ১১৫ নং আয়াতে স্পষ্ট করে বলছেন -
“আল্লাহ্ তোমাদের জন্য হারাম করেছেন মৃত জন্তু, রক্ত, শূকরের মাংস খাওয়া। আর যে পশু জবাই করার সময় আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কারো নাম নেয়া হয়েছে।”

বিভিন্ন উৎসবকে ঘিরে 'ইসকন'- এর অপতৎপরতা চট্টগ্রামসহ সারাদেশে অনেকদিন ধরেই। এতোদিন ছিলো অন্তরালে, আস্তে আস্তে এখন খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসছে।

ইসকন নামের ষাটের দশকের অ্যামেরিকার প্রতিষ্ঠিতে একটি হিন্দু সংগঠনের বাংলাদেশী সদস্যরা চট্টগ্রামের একটি স্কুলে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেছে। তারপর সেই খাবার সময় তাদের দিয়ে ‘হরে কৃষ্ণ, হরে রাম’ ইত্যাদি স্লোগান দিইয়েছে। সেটার ভিডিও করা হয়েছে। সেই ভিডিও খুব গর্বের সাথে পোস্ট করা হয়েছে তাদের ফেইসবুক পেইজে। তাদের পেইজের বক্তব্য অনুযায়ী ১০টি স্কুলে এভাবে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এতো আয়োজন, এতো প্রকাশ্য আত্মবিশ্বাস থাকার কারণ সম্ভবত এই যে তারা কাজগুলো করেছে প্রশাসনের অনুমোদন নিয়েই করেছে।

অন্যদিকে পত্রিকা এবং টিভিতে বিজ্ঞাপন দিয়ে, বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে ব্রিফিং করে বলা হচ্ছে তরুণরা যদি ইসলাম পালন করতে শুরু করে, গান না শোনে, টিভি না দেখে, তাহলে সেটা জঙ্গিবাদের লক্ষণ। মুসলিমরা যদি ইসলামী শাসন চায়, ইসলামের বিধিবিধান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেনে চলতে যায় তাহলে সেটা উগ্রবাদ। যদি ইসলামের সাথে স্পষ্টভাবে সাংঘর্ষিক হবার কারণে কোন সামাজিক কিংবা জাতীয় অনুষ্ঠানের ব্যাপারে কারো আপত্তি থাকে তাহলে সে জঙ্গি। যদি কোন তরুণতরুণী নিজ পরিবারে, অর্থাৎ মুসলিমদের কাছে ইসলাম প্রচার করে, তাহলেও সে জঙ্গি।

একদিকে স্কুলে ঢুকে ‘হরে রাম, হরে কৃষ্ণ’ স্লোগান দেয়ানো হচ্ছে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠন নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের সব কার্যকলাপ অন্যদিকে ইসলাম পরিপূর্ণভাবে মানতে গেলে শরীরে লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে জঙ্গি ট্যাগ। স্কুলে ঢুকে আজ যদি 'আল্লাহু আকবর' বলতে বলা হয় তাহলে হয়তো ক্রসফায়ার হতে খুব বেশি দেরি হবে না।

এই হল ২০১৯ এ, আরএসএস আগ্রাসনের কালে আমাদের বাস্তবতা।


আপনারা সবাই শেয়ার করে ছড়িয়ে দেন.....
যে যেখানে আছেন সেখান থেকে প্রতিবাদ করুন....


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।