বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৯

এবার, রুমিনকে নিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল>> ‍SSTV Bangla


ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যারা মনে করেন একা একাই পারব, তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। কখনোই এই সমস্ত ফ্যাসিস্ট গভর্মেন্টকে তার বিরুদ্ধে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কোনো আন্দোলন সফল হবে না, যদি জাতিকে আমরা ঐক্যবদ্ধ না করতে পারি। রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে আমরা মানুষগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করব।

 যারা গণতন্ত্র চান তাদের ঐক্যবদ্ধ করব।মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক স্মরণসভায় তিনি এ সব কথা বলেন। কাজী জাফর আহমদের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সভার আয়োজন করে জাতীয় পার্টি (জাফর)।ফখরুল বলেন, আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। মুহূর্তেই কথা বললে তো আন্দোলন হয় না। আন্দোলনের জন্য তার ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে হয়, সংগঠন তৈরি করতে হয়। আমরা সেভাবে মানুষকে তৈরি করার চেষ্টা করছি। 







আমরা সেভাবেই কাজ করছি।তিনি আরও বলেন, ছোটখাটো কোনো বিষয় নিয়ে পাগলের মতো ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার কোনো বিষয় নেই। আপনাকে দেখতে হবে মূল লক্ষ্যে আমরা যাচ্ছি কি না। আমি কার কথা বলছি, আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। পত্র-পত্রিকায়ও ড্রাম বাজিয়ে শুরু করেছে রুমিনের বিরুদ্ধে একটি অবস্থান তৈরি করার জন্য। রুমিন কোনো অন্যায় করেননি। হতে পারে বিষয়টি তার জন্য আন-ইথিক্যাল (অনৈতিক) হয়েছে। কিন্তু রুমিন জোর গলায় পার্লামেন্টের ভেতরে-বাইরে সবখানেই এই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেন। সবখানেই গণতন্ত্রের জন্য কথা বলেন। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির কথা বলেন। 







সুতরাং আমাদের এই চিন্তা-ভাবনার লোক যারা আছেন তাদের অনুরোধ করব, দয়া করে আপনারা তার বিরুদ্ধে বা অন্য কারও বিরুদ্ধে কোনো কমেন্ট করবেন না। এতে ক্ষতি হবে আন্দোলনের। বরঞ্চ তাকে পরামর্শ দেন কী কী তার করা উচিত।নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, এখন গ্রামে গ্রামে বন্দরে বন্দরে মানুষের কাছে ছড়িয়ে যেতে হবে, মানুষকে জাগিয়ে তুলতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। যে কথা আমি বার বার বলি- এই কাজটা হচ্ছে তরুণদের, এই কাজটা হচ্ছে যুবকদের। 







শুধু ফেসবুকে থাকলে আন্দোলন হবে না, একটা ছবি ফেসবুকে দিলে আন্দোলন হবে না। আন্দোলনে মানুষকে সংগঠিত করে রাজপথে নেমে আসতে হবে।তিনি ফখরুল বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই- দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্রের মুক্তি এক। এটাকে আলাদা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। দেশনেত্রীর মুক্তি হলেই গণতন্ত্রের মুক্তি হবে। এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম-মহাসচিব এ এস এম শামীমের পরিচালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব জাফরউল্লাহ খান চৌধুরী লাহরী, প্রেসিডিয়াম সদস্য নওয়াব আলী আব্বাস খান, মজিবুর রহমান, মাওলানা রুহুল আমিন, সফিউদ্দিন ভূইয়া, সেলিম মাস্টার, কাজী জাফর আহমদের বড় মেয়ে কাজী জয়া কবির, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার লুৎফর রহমান প্রমুখ।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।