রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

মোটরযান আইনে শাস্তি বাড়ানোর খবর গুজব: কাদের>> SSTV Bangla


সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পরিবহন সেক্টরে নতুন একটি আইন প্রণয়ন ও জরিমানা বাড়ানোর যে খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রটানো হচ্ছে তা গুজব। এটা বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য চক্রান্ত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রোববার (০১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, নতুন মোটরযান আইন তৈরিই হয়নি। আমাদের আইন হচ্ছে ‘সড়ক পরিবহন আইন’। এটার নামই তো ভুল। এগুলো অহেতুক, নামটা যেমন ভুল, তেমনি এসব জরিমানার হারও মনগড়া। স্বার্থান্বেষী মহল বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য, মালিক-শ্রমিককে উস্কে দেয়ার জন্য চক্রান্ত ও পায়তারা করেছে।




এদিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ‘মোটরযান আইন-২০১৯’ নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিষয়টি গুজব ও অপপ্রচার। এই অপপ্রচার ও গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন মোটরসাইকেল আইন সংশোধনী ২০১৯ এবং এর আওতায় বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির বিধান উল্লেখ করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যা সম্পূর্ণ গুজব। প্রকৃতপক্ষে সড়ক পরিবহন সেক্টরে নতুন মোটরযান আইন সংশোধনী ২০১৯ নামে কোনো আইন নেই। 

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ কার্যকর করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ অংশীজনের সাথে আলোচনা করে বিধিমালা প্রণয়নের কাজ করছে।




তথ্য অধিদফতর থেকেও একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, নতুন মোটরযান সংশোধনী আইন ২০১৯ এবং অপরাধের শাস্তির বিধান বিষয়ক তথ্য অপপ্রচার ও গুজব। এ অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহবান জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের প্রশ্নের জবাবে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিতদের বিষয়ে বলেন, রাজনৈতিক দলের পুনর্বাসনের কোনো বিষয় নেই। ছাত্রলীগের কমিটিকে বলা হয়েছে রিভিজিট করার জন্য, যদি কেউ রিয়েলি বঞ্চিত হয়ে থাকে। আর ছাত্রলীগের কমিটিতে যদি কাউকে নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ থাকে, ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন নেতা আছেন, আমাদের নেত্রী দায়িত্ব দিয়েছেন। তারা বিষয়টি বিবেচনা করবে। যারা পদবঞ্চিত বলে পরিচিত তারা তো রাস্তায় এখন আন্দোলন করছে না, কাজেই নিশ্চয়ই এটার একটা প্রক্রিয়া চলছে, এটা সমাধানের একটা পথ, হয়তো তারাও আশ্বস্ত হয়েছে সমাধানের ব্যাপারে। সে কারণে তারাও কোনো বিক্ষোভ দেখাচ্ছে না।




অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে ২৬ সিটের মিনিবাস ৪১ সিট করা নিয়ে এক প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখানে যে একটা ফাঁকি আছে এবং এ ধরনের অপকর্ম হয়ে আসছে। সর্ষের মধ্যেও ভূত আছে। বিষয়গুলো বন্ধ করার জন্য শক্তিশালী একটা টাস্কফোর্স করার জন্য প্রস্তাব আছে।

সাংবাদিকদের নবম ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ মন্ত্রিসভায় কেন পাস হচ্ছে না- এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা ক্যাবিনেটে পাস করার কোনো বিষয় নয়। এটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সামারি আকারে যাবে, সেটা রেডি হচ্ছে। যে কোনো দিন প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে পারে। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত আসবে।




আওয়ামী লীগের কাউন্সিল নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের জাতীয় সম্মেলন অক্টোবরেই হওয়ার কথা। নিয়মানুযায়ী তিন বছরে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। অক্টোবরে এখনও ঠিক আছে। আমরা তো পরিবর্তন করিনি। পরিবর্তন করলে ওয়ার্কিং কমিটির মিটিং ডেকে তা করার বিষয় আসবে। সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। হবে না এ মুহূর্তে বলা যাবে না। আমরা এক মাসের নোটিশ দিয়েও জাতীয় সম্মেলন অতীতে করেছি। তবে আমাদের প্রস্তুতি চলছে।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।