শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯

উখিয়ায় কবরস্থান দখল করে রাস্থা তৈরি সহ অবৈধ দখল নিচ্ছে স্থানীয় কিছু মানুষ।


রবিউল হাসান শিমুলঃ
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভালুকিয়া বাজার সংলগ্ন কবরস্থান (পেটান মাত্বরের মুরা কবরস্থান) দখল করে রাস্থা তৈরি সহ অবৈধ দখল নিচ্ছে স্থানীয় কিছু মানুষ।

এদিকে শনিবার  সকাল ১১ টার সময় শত শত ছাত্র-জনতা স্থানীয় প্রবীণ মুরব্বিদের নিয়ে কবরস্থানের পাহাড় কাটা স্থান পরিদর্শন করে ও এবং এই সমস্ত ভূমি দখল তাদের প্রতি ধিক্কার জানিয়েছেন।

কবরস্থানের পাহাড় কাটার খবর শুনে বৃহত্তর ভালুকিয়া পালং এর ১০-১৫ গ্রামের মানুষ ফুঁসে উঠেছে।

মৃত আব্দুল জলিল এর পুত্র আবুল কাসেম,মীর কাসেম ও আবুল হোসেনের এর নির্দেশে দলবল নিয়ে কবরস্থানের পাহাড় কেটে রাস্তা নির্মাণের কাজ করতেছে বলে জানিয়েছে মাটিকাটার শ্রমিক নেতা আলি আজগর।

রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আবুল ফজল জানানঃ- অতিতে ও কবর স্থানের চতুর পাশে কবর স্থানের জায়গা কেটে বর্তমানে পানের বরজ, সবজী চাষ,  ধান চাষ  করে আসছে।  এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে উক্ত জায়গা ও দখল মুক্ত করব বলে জানান তিনি।

উক্ত যায়গা পরিদর্শন শেষে ভালুকিয়া এলাকার বাসিন্দা ও উখিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক  ইমাম হোসেন জানানঃ-  একজন মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে শেষ বিদায়ের পর কবরস্থানে চির শায়িত হয়ে থাকেন। যেখানে যুগে যুগে আমাদের সকলের অতীত বংশধররা শুয়ে আছে সে কবরস্থানের জায়গা দখল করে পাঁচ শত বছরের ঐতিহ্যবাহী কবরস্থানের পাহাড় কাটার দৃশ্য দেখে একজন মুসলিম পরিবারের সন্তান হিসাবে খুবই মর্মাহত হয়েছি, এলাকাবাসী কে সাথে নিয়ে কবরস্থান দখলমুক্ত করার জন্য যা যা করার দরকার সবই করা হবে বলে জানান, তিনি আরো জানান যদি দখলবাজরা বৈধ কাগজপত্র দেখাতে সম্মত হয়, তাহলে উপযুক্ত দাম দিয়ে আমাদের শেষ আশ্রয় স্থান দখলদার কর্তৃক দখলকৃত উক্ত জায়গাটুকু ক্রয় করা হবে।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহি অফিসার এর প্রতি এলাকাবাসীর অনুরোধ পাঁচশত বছরের পুরনো কবরস্থান দখলদার কর্তৃক দখলকৃত  উক্ত জায়গাটুকু দখল মুক্তকরণ ও এলাকাবাসীদের অতীত বংশধরদের কবর সংরক্ষণ করার শর্তে একবার রত্না পালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া বাজার সংলগ্ন কবর স্থান পরিদর্শন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয় জনসাধারণ।

ভূমি দখলদারদের একাধিকবার ফোন করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ থাকার কারণে কোন অবস্থায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।