বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

মুসলিমদের বের করে দিলে আবারও স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দিব : মমতা

এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) ই’স্যুতে গণ-আ’ন্দো’লনের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। আগামী ১৬ ডিসেম্বর সোমবার বি’ক্ষো’ভ মি’ছি’লের ডাক দেওয়া হয়েছে।

বিজেপি ছাড়া সব রাজনৈতিক দল ও গণ সংগঠনসহ সাধারণ মানুষকে এই মি’ছিলে যোগ দিতে আহ্বান জানিয়েছেন মমতা। সোমবার বেলা ১টায় আম্বেদকরের মূর্তির পাদদেশ থেকে মি’ছিল শুরু হবে, যা শেষ হবে জোড়াসাঁকোতে।

মঙ্গলবার মি’ছিল শুরু হবে দক্ষিণ কলকাতার ৮বি বাসস্ট্যান্ড থেকে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হবে মিছিল। এদিকে ২০ ডিসেম্বর এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) নিয়ে তৃণমূল ভবনে বৈঠক ডেকেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি।




দিঘায় চলতি শিল্প সম্মলনে সাংবাদিকদের মু’খো’মুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী বলেন, শুরু থেকেই এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব)-র বিরোধীতা করছে তৃণমূল সরকার, আগামী দিনেও তা করবে।

এই রাজ্যে এনআরসি করতে দেবেন না তিনি এবং তার দল। রাজ্যের মানুষকে মমতা বলেন, ভ’য়ের কোনও কারণ নেই, যেমন শা’ন্তিতে আছেন তেমনই থাকবেন।

সূত্র: এই সময়

তুরস্কে ৬ শতাব্দী প্রাচীন মসজিদ স্থানান্তর

তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর থেকে ৬০৯ বছরের পুরনো একটি মসজিদ আস্ত অবস্থায় আড়াই মাইল দূরে স্থানান্তর করা হলো। মসজিদটির নাম এর-রিজক। মোট ১৭০০ টন ওজনের মসজিদটি একটি বিশেষ মডুলার যান তৈরি করে টাইগ্রিস নদীর তীর ধরে পরিবহন করা হয়।




জানা গেছে, ১৫ শতকের এই মসজিদটির অবস্থান ছিল প্রাচীন হাসানকিফ শহরে। শহরটির কাছেই নির্মিত হচ্ছে ইলিসু বাঁধ। এই বাঁধ নির্মাণের কারণে মসজিদের জায়গাটি প্লাবিত হতে যাচ্ছিল। তাই সেখান থেকে মসজিদটি সড়িয়ে নতুন হাসানকিফ সাংস্কৃতিক পার্কে স্থানান্তর করা হয়েছে।

মসজিদটির মিনারটি নির্মিত হয়েছিল ১৪০৯ সালে, গাজী সালাউদ্দিনের বংশধর ও আইয়ুব শাসনামলের সুলতান ইবুল মেফাহির সুলেমানের নির্দেশে। সেই মিনারটি আলাদাভাবে সরানো হয়েছিল। হাসানকিফের সমস্ত ঐতিহাসিক স্থাপনাই ক্রমান্বয়ে সরানো হচ্ছে যাতে নতুন বাঁধটি নির্মাণের কারণে কোন ক্ষতি না হয়।

ছয়টি স্থাপনা ইতিমধ্যে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সেগুলো হল, আর্টুকলু হাম্মামখানা (গোসলখানা), সুলতান সোলায়মান কোয়ে মসজিদ, হযরত ইমাম আবদুল্লাহ জাওয়াইয়া ও হযরত জয়নাল আবিদীনের মাজার এবং আইয়ুবি আমলে নির্মিত অপর একটি মসজিদ। এছাড়াও একটি দুর্গের মাঝের প্রবেশদ্বারও এর আগে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

ডেইলি সাবাহ এর প্রতিবেদনে বলা হয়, মসজিদটি ছিল হাসানকিফের মধ্যে বৃহত্তম। এটি কয়েক ভাগে আলাদা করে তুলে নিয়ে ২৫৬ চাকার বিশেষ ট্রাকে তুলে আবার একত্রিত করা হয়। এর তত্ত্বাবধানে ছিল রাষ্ট্রীয় হাইড্রোলিক ওয়ার্কস এবং সাংস্কৃতিক সম্পদ ও যাদুঘর বিষয়ক সাধারণ অধিদপ্তর। এটি সাংস্কৃতিক পার্কে আসার পরে পুনর্গঠন করা হয়। এটি পরিবহণ করতে প্রায় সাত ঘন্টা সময় লাগে। সূত্র: ডেইলি মেইল।মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানির আড়ালে ২০০ কোটি টাকা পাচার করেছেন আমদানিকারকরা। গত আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসে দেশটি থেকে মোট ৩৪ হাজার ৮৬১ টন পেঁয়াজ আমদানির আড়ালে এ মুদ্রা পাচার হয়। দেশের শীর্ষ ৪৩ পেঁয়াজ আমদানিকারককে জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত শেষে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সংস্থাটি মনে করে, এসব মুদ্রাপাচারকারীকে ধরতে আরো বিশদ অনুসন্ধান প্রয়োজন।




প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪৩ জন আমদানিকারক মোট এক হাজার ৮৩ জন সরবরাহকারীর কাছে তাঁদের পেঁয়াজ বিক্রি করেন। নিজেরা কেজিপ্রতি দুই থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ টাকা মুনাফা করেন বলে শুল্ক গোয়েন্দা কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানান। তবে সংস্থাটি মনে করে, একটি অসাধু ব্যবসায়ীচক্র সংকটের অজুহাতে পেঁয়াজ বিক্রিতে অতি মুনাফা করেছে।
মোট ৪৭ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর পেঁয়াজের বাজার সব সময় স্থিতিশীল রাখতে ভারত থেকে আমদানি অর্ধেক কমিয়ে অন্য দেশ থেকে আনার প্রস্তাবসহ বেশ কিছু সুপারিশ করেছে। প্রতিবেদনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ (এনবিআর) সরকারের বিভিন্ন মহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানির আড়ালে মুদ্রাপাচারের বিষয়ে বাংলাদেশ মিয়ানমার চেম্বারের সভাপতি এস এম নুরুল হক গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা যেখানে সুবিধা পাবেন সেখান থেকেই পণ্য আমদানি করবেন। তবে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানির নামে মুদ্রাপাচারের বিষয়টি কতটা সত্য, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। শুল্ক গোয়েন্দারা কিসের ভিত্তিতে তাকে মুদ্রাপাচার বলছে, তা বুঝতে পারছি না। আমার ধারণা পণ্যের দাম কম দেখিয়ে আন্ডার ইনভয়েসিংয়ে মুদ্রাপাচারের ক্ষেত্রে সাধারণত তা হুন্ডির মাধ্যমে পরিশোধ হতে পারে। এটার আরো বিশদ অনুসন্ধান দরকার। এ ক্ষেত্রে শুল্ক গোয়েন্দার পরিবর্তে অন্য সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করা যেতে পারে।’




এ বিষয়ে এনবিআর কিংবা শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কেউ কথা বলতে রাজি হননি। তবে এনবিআরের সাবেক সদস্য ও কাস্টমস কর্মকর্তা আবদুল মান্নান পাটোয়ারী কালের কণ্ঠকে বলেন, সাধারণত পণ্যের দাম কম দেখিয়ে মুদ্রা পাচার হয় অন্য পণ্যের দায় পরিশোধের জন্য। বিশেষ করে বেশি দামের পণ্যের দায় শোধ করা হয় এভাবে। পরে ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে হুন্ডির মাধ্যমে টাকাটা পাঠানো হয়। মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রেও এ রকম ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে শুল্ক গোয়েন্দা এর উচ্চতর তদন্ত করে সত্যিকারে কারা জড়িত তাদের বের করতে পারে। তিনি মনে করেন, একমাত্র ব্যাংকই এভাবে মুদ্রাপাচার বন্ধ করতে পারে। তারা যখন এলসি খোলে তখন পণ্যের সত্যিকার দাম যাচাই করে এলসি খুলতে পারে। তারা এটা করে না বলেই যে যেমন ইচ্ছা দাম দেখিয়ে এলসি খোলে এবং মুদ্রা পাচার করে।
প্রতিবেদন বলছে, চলতি বছরের আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর—এই চার মাসে মিয়ানমার থেকে মোট ৩৪ হাজার ৮৬১ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়ে আসে। এর মধ্যে আগস্ট থেকে অক্টোবর তিন মাসে আসে ২১ হাজার ৯২৯ টন পেঁয়াজ। এসব পেঁয়াজের প্রতি কেজিতে গড়ে ৩৮ টাকা পাচার হয়। আর নভেম্বরে আমদানি হয় ১২ হাজার ৯৩২ টন পেঁয়াজ। এসব পেঁয়াজে কেজিপ্রতি পাচার হয় ৯১ ট

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.