বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী, ২০২০

ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন সাকিব ভক্তরা – সাকিবকে ভোট দিতে এখানে ক্লিক করুন।


সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন গত দশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বহু সাফল্য পেয়েছেন। আর সাকিবসহ আরও বেশ কয়েকজন তারকাকে নিয়ে সেরাদের সেরা বানাতে এক ভোটিং পোলে নেমেছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় নিউজ পোর্টাল ক্রিকইনফো।২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিচার করে প্রাথমিক একটি তালিকা করেছে ক্রিকইনফো। যেখানে ১৬জন ক্রিকেটারকে নেওয়া হয়েছে। তবে রাউন্ড ভিত্তিক এই ভোটিং পদ্ধতিতে হেড টু হেড বিবেচনায় ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

যেখানে সাকিবের সঙ্গে রাখা হয় ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মাকে। সেখানে মোট ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৮২ ভোট পেয়েছেন এই দুইজন। যার মধ্যে সাকিব আল হাসান পেয়েছেন ৬৯ শতাংশ ভোট এবং রোহিত শর্মা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।বিজয়ীদের নিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ড শুরু করেছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো। কোয়ার্টার ফাইনালে সাকিবের প্রতিদ্বন্দ্বি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাকিব আল হাসান ৭১ % ভোট এবং মহেন্দ্র সিং ধোনি পেয়েছেন ২৯ % ভোট।

দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোট দিতে এখানে ক্লিক করুন

এদিকে গত এক দশকে সাকিব আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ২৩৮ ম্যাচ খেলেছেন। যেখানে ৮ হাজার ৮৬১ রানের পাশাপাশি ৪১৮টি উইকেট নিয়েছেন। যদিও গত দশকে তার থেকে ভালো অলরাউন্ডার আর পাওয়া যায়নি।এর আগে সাকিব উইজডেনের ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দশক সেরা একাদশে জায়গা করে নিয়েছিলেন।এই মুহুর্তে অন্যরা যা পরছেন-বিপুল ভোটে রোহিত শর্মাকে হারিয়ে বিজয়ী হলেন সাকিব আল হাসান> সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন গত দশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বহু সাফল্য পেয়েছেন। আর সাকিবসহ আরও বেশ কয়েকজন তারকাকে নিয়ে সেরাদের সেরা বানাতে এক ভোটিং পোলে নেমেছে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় নিউজ পোর্টাল ক্রিকইনফো।

২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিচার করে প্রাথমিক একটি তালিকা করেছে ক্রিকইনফো। যেখানে ১৬জন ক্রিকেটারকে নেওয়া হয়েছে। তবে রাউন্ড ভিত্তিক এই ভোটিং পদ্ধতিতে হেড টু হেড বিবেচনায় ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।যেখানে সাকিবের সঙ্গে রাখা হয় ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মাকে। সেখানে মোট ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৮২ ভোট পেয়েছেন এই দুইজন। যার মধ্যে সাকিব আল হাসান পেয়েছেন ৬৯ শতাংশ ভোট এবং রোহিত শর্মা পেয়েছেন ৩১ শতাংশ ভোট।

১৬ জনের এই তালিকায় প্রথম রাউন্ডে অন্যদের মধ্যে লড়বেন যথাক্রম, রঙ্গনা হেরাথ-বিরাট কোহলি, বেন স্টোকস-ক্রিস গেইল, স্টিভেন স্মিথ-সুনিল নারাইন, কেন উইলিয়ামসন-লাসিথ মালিঙ্গা, এবি ডি ভিলিয়ার্স-রশিদ খান, ডেল স্টেইন-রবিচন্দ্রন অশ্বিন, জেমস অ্যান্ডারসন-মহেন্দ্র সিং ধোনি।এদিকে গত এক দশকে সাকিব আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ২৩৮ ম্যাচ খেলেছেন। যেখানে ৮ হাজার ৮৬১ রানের পাশাপাশি ৪১৮টি উইকেট নিয়েছেন। যদিও গত দশকে তার থেকে ভালো অলরাউন্ডার আর পাওয়া যায়নি। এর আগে সাকিব উইজডেনের ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দশক সেরা একাদশে জায়গা করে নিয়েছিলেন।

সৌরভ গাঙ্গুলীর রেস্তোরাঁ উদ্বোধনে ইনজামাম!

পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইনজামাম-উল-হক বলেছেন, ১৫ বছর পর ২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরে এসেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। দুই হাত বাড়িয়ে আমরা তাদের স্বাগত জানিয়েছিলাম। খাওয়া-দাওয়া, কেনাকাটা, কোথাও যাওয়া, কোনও কিছুর জন্যই টাকা নেয়া হয়নি।

তিনি আরও বলেন, ভারতের ওই সফরের এক বছর পর আমরা ভারতে গিয়েছিলাম। আমরাও একই রকম আন্তরিকতা আর ভালোবাসা পেয়েছিলাম। ভারতীয়রা ঘরের দরজা খুলে দিয়ে অতিথি হিসেবে থাকার জন্য ডেকেছিল। রান্না করে খাইয়েছিল। কেনাকাটার টাকাও নেয়নি।

ইনজামাম আরও বলেন, ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের সমর্থকদের মধ্যে অসাধারণ ভালোবাসা রয়েছে। তাই মনে হয় না যে পাকিস্তান দলে হিন্দু ক্রিকেটার থাকলে বৈষম্য হতে পারে। আমাদের হৃদয় এত ছোট নয়।

পাকিস্তানের সাবেক এ অধিনায়ক আরও বলেছেন, ২০০৫ সালে ভারত সফরে কলকাতায় এক ফটোশুটে গিয়েছিলাম। ভারতের পক্ষ থেকে ছিল সৌরভ গাঙ্গুলী। তার আগে ও একটা রেস্তোরাঁ খুলেছিল। যার উদ্বোধনে শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে আমিও গিয়েছিলাম। সেই রেস্তোরাঁ থেকে সৌরভ আমার জন্য খাবার নিয়ে আসত।

তিনি আরও বলেন, আমরা যখন শারজায় খেলতাম তখন ভারত-পাকিস্তান দুই দল এক হোটেলেই থাকতাম। দুই দলের ক্রিকেটারদের দেখতাম একসঙ্গে বসে ঠাট্টা-ইয়ার্কি করতে, খাওয়া-দাওয়া সারতে। দুই দলে হিন্দু-মুসলিম বলে বৈষম্যের কিছু দেখিনি।

সম্প্রতি পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শোয়েব আখতার বলেছেন, দানিশ কানেরিয়া হিন্দু হওয়ায় জাতীয় দলে যথাযথ সুযোগ পাননি।

শোয়েব আখতারের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর দানিশ কানেরিয়া পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম পিটিভি স্পোর্টসকে বলেছেন, শোয়েব সত্যি বলেছেন। আমি হিন্দু হওয়ায় পাকিস্তান ক্রিকেট দলের যে সদস্যরা আমার সঙ্গে কথা বলতেন না তাদের নাম জানাব। এতদিন মুখ খোলার মতো সাহস পাইনি। কিন্তু এবার বলব।

দানিশ কানেরিয়ার এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইনজামাম-উল-হক বলেছেন, অমুসলিম ক্রিকেটারদের মধ্যে পাকিস্তান দলে ইউসুফ ইউহানাও ছিল। কিন্তু এখন ও মুসলিম। ওর নাম এখন মোহাম্মদ ইউসুফ। যখন ও ইউসুফ ইউহানা ছিল, তখনও অমুসলিম বলে ওর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়নি। যদি তাই হতো তাহলে সে নিশ্চয়ই ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হতো না।

ধর্মের পথে বদলে গিয়েছে যে ৫ ক্রিকেটারের জীবন

ধর্ম হচ্ছে এমন এক দর্শন ও বিশ্বাস যা মানুষকে আলোর পথের সন্ধান দেয়। হৃদয়ের অন্ধকারকে দূরে ঠেলে জ্যোতির্ময় করে তোলে মনপ্রাণ। পৃথিবীতে ৯০ ভাগেরও বেশি মানুষ নিজ নিজ ধর্মের প্রতি অনুগত। আবার অনেকেই আছেন যারা ধর্মীয় রিচ্যুয়েলস অর্থায় আচার-আচরণ, বিধিবিধান ও রীতিনীতি পালনে সদা তৎপর। তারা জীবনকে ধর্মের আলোকে চালিত করে।

ধর্মীয় অনুশা’সন দ্বারা হয় চালিত। আমরা এমন অনেককেই চিনি এবং জানি যারা একেকজন বড় বড় কিংবদন্তি, সুপারস্টার। কিন্তু ধর্মের প্রতি তাদের আনুগত্য সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই ধারণা কম। অথচ এই তারকারা ধর্মের পথ অনুসরণ করে জীবনে সফলতার চর’ম শিখরে আরোহন করেছিলেন।

ভদ্রলোকের খেলা বলে পরিচিত ক্রিকেট মাঠের ৫ মুসলিম ক্রিকেটারকে নিয়

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.