রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২০

নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ৩ কাশ্মীরি নিহত



 আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে উপত্যকার তিন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে, নিহত তিনজনের একজন জঈশ-ই-মোহাম্মদের কাশ্মীর প্রধান এবং অপর দুজন তার সহযোগী বলে দাবি করা হচ্ছে। জঈশ-ই-মোহাম্মদ গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় এক সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করেছিল।


প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের আগের দিন শনিবার কাশ্মীরের ট্রাল নামক এলাকার হারিপারিগ্রামে দিনব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের পর ওই তিন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়। নিহত তিনজন হলেন কারি ইয়াসির ও তার দুই সহযোগী মূসা ও বুরহান। ইয়াসির কাশ্মীর জেইএম এর স্বঘোষিত প্রধান।


কাশ্মীরের শ্রীনগরভিত্তিক ভারতী সামরিক বাহিনীর ১৫ কর্পস্ কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল জে এস ধীলন ও কাশ্মীর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) বিজয় কুমার রোববার সংবাদ সম্মেলন করে শনিবার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হওয়ার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানায়।


কাশ্মীরের আইজিপি বিজয় কুমার বলেন, ‘দক্ষিণ কাশ্মীরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনাকারী জঈশ-ই-মোহাম্মদের জঙ্গি বুরহান সম্পর্কে আমরা জানতে পারি। গত কয়েকদিন আগে তাকে আটক করা হয়েছিল। তার সূত্র ধরে আমরা জঙ্গিদের গোপন আস্তানা সম্পর্কে জানতে পেরে গতকাল অভিযান চালাই। সেখানে কারি ইয়াসিরও ছিল।’


তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দা সূত্রমতে, ইয়াসির জেইএম এর স্বঘোষিত কাশ্মীর প্রধান। পুলওয়ামা হামলায় জড়িত এই জঙ্গি গোষ্ঠীটির একজন বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ। পাকিস্তান থেকে জঙ্গি নিয়োগ ও বিভিন্ন স্থানে তাদের নিয়োজিত করাই তার কাজ। তিনি ছিলেন ১৪ ফেব্রুয়ারি হামলার তত্ত্বাবধায়ক। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে হামলার ছঁক কষছিল তারা।’


লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীলন বলেন, বন্দুকযুদ্ধে তিন জঙ্গিকে হত্যার মাধ্যমে তারা জঙ্গিদের ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা বানচাল করে দিয়েছেন। জঈশ-ই-মোহাম্মদের এই সক্রিয় সদস্যরা প্রজাতন্ত্র দিবসে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করেছিল বলে দাবি করেন তিনি।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.