রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০

সৌদি মক্কাতে আরেক বাংলাদেশী প্রবাসীর মৃত্যু!


গতকাল মক্কাতে প্রবাসী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে হার্ট এট্যাকে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত সমীয় ভূঁইয়া, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার দলিয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি গতবছর সৌদি এসেছিলেন।

মক্কাতে আরেক বাংলাদেশী প্রবাসীর মৃত্যু! সৌদি আরবের মক্কা শহরে গতকাল সমীর ভূঁইয়া নামের এক বাংলাদেশী প্রবাসী মারা গিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে , হার্ট এট্যাকে ঐ প্রবাসী মারা গিয়েছে। তবে আগে থেকে হার্টের রোগী ছিলেন কিনা সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি । মৃত প্রবাসীর বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার দলীয়ায়। তিনি মাছিমপুর ছালামত উল্লা ভূঁইয়া বাড়ির মাদু ভূঁইয়া মেজো ছেলে । গত বছর মে মাসের দিকে তিনি বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে এসেছিলেন।

সৌদিআরব প্রবাসীদের মাধ্যমে জানা যায় মৃত, সমীর ভূঁইয়া ১১ মাস আগে বাংলাদেশ থেকে সৌদিতে এসেছিলেন। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় বিদেশ আসলেও ভাগ্য সহায়তা করছিলো না তার। বেশ কয়েক মাস যাবত ঠিকমত কাজ পাচ্ছিলেন না । যার ফলে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। এসব নিয়ে হতাশার মাঝেই দিনযাপন করছিলেন বলে জানা যায়। ধারণা করা হচ্ছে হতাশা এবং দুশ্চিনার জন্যই হার্ট এট্যাক করেছেন হতভাগ্য সমীর।
মৃত সমীর ভূঁইয়ার নিকট আত্মীয় মোহম্মদ আনোয়ার জানান, মরদেহ বর্তমানে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

এ নিয়ে সৌদিতে গত দুই সাপ্তাহে বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশী হার্ট এট্যাকে মারা গেলেন। সাম্প্রতিক সময়ে হঠাৎ বেড়ে যাওয়া হার্ট এট্যাক নিয়ে সৌদি প্রবাসী কমিউনিটি উদ্বেগ জানিয়েছে। জানা যায়, গত দুই সাপ্তাহে ৬ জন প্রবাসী হার্ট এট্যাকে মারা গেছে । এছাড়া সাম্প্রতিককালে হার্ট এট্যাকের মাত্রাও বেড়ে গিয়েছে, উল্লেখসংখ্যক লোক আক্রান্ত হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। অনেকে ধারণা করছেন করোনার জন্য সবাই উদ্বেগের মাঝে রয়েছেন, দুশ্চিন্তা থেকেও হার্ট এট্যাকের মত ঘটনা বাড়তে পারে।

এছাড়াও ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সৌদি আরবে আরো ১৩ জনের মতো বাংলাদেশী প্রবাসী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে। যা সৌদিতে মোট মৃতের প্রায় ২৩ শতাংশ ছিল। করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রিয়েছে আরো উল্লেখ সংখ্যক।


এদিকে করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য সৌদি আরব জুড়ে চলছে কারফিউ ও লকডাউন। তারপরেও কমছে না করোনার প্রকোপ। এখন পর্যন্ত সৌদিতে ৭ হাজার ১৪২ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এবং মারা গিয়েছে ৮৭ জন। এখন পর্যন্ত দেশটিতে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৪৯ জন

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.