মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২০

ফোন চু’রি করতে দেখে ফেলায় প্রবাসীর স্ত্রী’ ও তিন সন্তানকে হ’ত্যা!



মোবাইল ফোন চু’রি করতে গিয়ে চিনে ফেলায় প্রবাসীর স্ত্রী’ ও তিন সন্তানকে খু’ন করেছে পারভেজ নামে এক কি’শোর (১৭)। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজে’লায় গত বুধবার রাতে জৈনাবাজার আবদার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

মোবাইল চু’রি করতে গিয়ে চিনে ফেলায় ঘরের ভেতরে মা ও তিন সন্তানকে গলাকে’টে হ’ত্যার কথা আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছে গ্রে’প্তার হওয়া পারভেজ।

আজ সোমবার বিকেলে গাজীপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতের বিচারক মো. শরীফুল ইস’লামের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানব’ন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর জে’লা আ’দালতের ইন্সপেক্টর মীর রকিবুল হক।

পিবিআই’র পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান জানান, গতকাল রোববার মধ্যরাতে আবদার এলাকায় অ’ভিযান চালিয়ে ওই কি’শোরকে গ্রে’প্তার করা হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে মা-সন্তানদের খু’নের কথা স্বীকার করলে আ’দালতে ১৬৪ ধারায় তার জবানব’ন্দি নেওয়া হয়। ২ মাস আগেও ওই কি’শোর নি’হতের বড় মে’য়েকে ‍উ’ত্ত্যক্ত করতে গিয়ে তাদের ঘরের খাটের নিচ থেকে ধ’রা পড়ে। পরে ক্ষমা চেয়ে ছাড়া পায়।

গত বুধবার মধ্যরাতে মোবাইল চু’রি করতে গিয়ে চিনে ফেলায় প্রথমে বটি দিয়ে মাকে (গৃহবধূ) এবং পরে ঘুম থেকে জেগে উঠলে একে একে ঘরে থাকা তিন সন্তানের মা’থা-শরীরে কু‌‌’পিয়ে জ’খম করে রশি দিয়ে বেঁধে মা-মে’য়েকে ধ’র্ষণ করে। এর পর ধারালো চাকু দিয়ে তাদের গলা কে’টে হ’ত্যা নিশ্চিত করে। এ সময় অ’পো ও ভিভো কোম্পানির দুটি মোবাইল ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে পালিয়ে যায়।

পারভেজ ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে একই এলাকার বসবাসরত ৭ বছরের এক শি’শুকে ধ’র্ষণ ও খু’নের মা’মলায় গ্রে’প্তারের পর ৯ মাসের জে’ল খেটে উচ্চ আ’দালত থেকে জামিনে আছে। আজ জবানব’ন্দি শেষে আ’দালতের নির্দেশে আবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গতকাল রাতে গ্রে’প্তার হওয়া ওই কি’শোরের দেওয়া তথ্যমতে তার ঘর থেকে নি’হতদের র’ক্তমাখা কাপড় ও মাটির নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় লুট করা দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি পায়জামা’র ভেতরে রাখা স্বর্ণের তিনটি গলার চেইন, কানের দুল, আংটি ও নাক ফুল উ’দ্ধার করা হয়েছে। পারভেজের নামে শ্রীপুর থা’নায় আগেও খু’ন ও ধ’র্ষণের মা’মলা রয়েছে।

শ্রীপুর থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মো. লিয়াকত আলী জানান, গত বুধবার রাতে আবদার এলাকায় নিজ বাড়িতে খু’ন হন মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রী’, দুই মে’য়ে ও এক ছে’লে। এ ঘটনায় পরদিন প্রবাসীর বাবা বাদী হয়ে অ’জ্ঞাতনামা খু’নীদের উল্লেখ করে মা’মলা করেন এবং পিবিআই, র‌্যা’­বসহ পু’লিশের ত’দন্তকারী একাধিক টিম জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে গ্রে’প্তার করে। খু’নের তিনদিন পরই গ্রে’প্তার হলো পারভেজ।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.