রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০

রোহিঙ্গা আগমন ও করোনার ঝুঁকি এড়াতে নিরাপত্তা আরও বেশি জোড়দার করা হয়েছে, এএসপি(উখিয়া-টেকনাফ সার্কেল)





একদিকে মহামারী করোনা আতঙ্ক আবার অন্য দিকে মালয়েশিয়া ফেরত রোহিঙ্গা আগমনে উখিয়া টেকনাফ এখন সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।আর এদিকে করোনার সর্বোচ্চ ঝুঁকি এড়াতে উখিয়া টেকনাফে সতর্কতা ও নিরপত্তার টহল আরও বেশি জোড়দার করা হয়েছে বলে জানান উখিয়া-টেকনাফ সার্কেলের এএসপি নিহাদ আদনান তাইয়ান।

উল্লেখ্য যে গত ১৬ এপ্রিল টেকনাফ উপকূল থেকে মালয়েশিয়া ফেরত রোহিঙ্গা বোঝাই একটি ট্রলারের ৩৯৬ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।উদ্ধার পরবর্তী সকল রোহিঙ্গাদেরকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠাই উপজেলা প্রশাসন।কিন্তু রোহিঙ্গা আগমনের রেশ কাটতেই না কাটতেই মালয়শিয়া ফেরত রোহিঙ্গা বোঝাই আরও ২ টি ট্রলার সাগরে ভাসমান আছে বলে জানান বালুখালী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা স্বজনরা।ফলে স্থানীয় জনগণের মাঝে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে উখিয়া-টেকনাফের চৌকস ও কর্মঠ এএসপি সার্কেল নিহাদ আদনান তাইয়ানের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও রোহিঙ্গা আগমনের কারণে উখিয়া-টেকনাফে করোনার সর্বোচ্চ ঝুঁকি এড়ানোর জন্য আগে থেকে নিরাপত্তার টহল জোড়দার ছিল।নতুন করে রোহিঙ্গা আগমনের খবর এবং দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বর্তমানে উখিয়া টেকনাফের নিরাপত্তার টহলকে আরও বেশি জোড়দার করা হয়েছে বলে জানান।ডিএসবি এবং থানা পুলিশের টহল টিম গুলোকে আরও বেশি তৎপর করা হয়েছে এবং প্রতেক্যকে সার্বক্ষণিক গোয়েন্দা রিপোর্ট জানানোর জন্য বলা হয়েছে।প্রত্যেক চেয়ারম্যান,মেম্বার এবং এলাকার লোকজনের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আছে বলে জানান,যাতে কোন গোপন তথ্য পেলে দ্রুত প্রত্যেক ওসি এবং নিজের নাম্বার বা হট লাইনে জানাতে পারে।এ ছাড়া কমিউনিটি পুলিশিংকেও সর্বোচ্চ এলার্ট করা হয়েছে বলে জানান যাতে করে যে কোন ঘটনার নিউজ দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে পারে এবং নিজেদের নিজস্ব টিমও সার্বক্ষনিক তৎপর আছে বলে জানান।

এদিকে গত শনিবার রাতে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহি অফিসার সাইফুল ইসলাম তার সরকারী ফেইসবুক পেজে রোহিঙ্গা ইস্যু উল্লেখ করে বলেন, করোনা ক্রান্তিকালীন কোন রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলার উপকূলে আশ্রয়ের জন্য ভিড়লে দ্রুত প্রশাসনকে জানানোর জন্য উপকূল বাসীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।প্রশাসনের অনুমতি ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা ব্যতীত উৎসাহিত হয়ে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহন না করার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করেন এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানদের নিশ্চিত করার জন্য চেষ্টা করতে বলেন।তিনি আরও বলেন, এটা আমাদের সকলের শারীরিক নিরাপত্তার জন্য অনুরোধ করছি। কারণ, সে সকল রোহিঙ্গাদের মধ্যে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী থাকার আশঙ্কা রয়েছে এবং যা ছড়িয়ে পড়তে পারে। নিজের সুরক্ষার বিষয় সবার আগে ভাবুন। ভাল থাকুন। নিরাপদ থাকুন। আমরা আছি আপনাদের পাশেই।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.