শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২০

কক্সবাজারে রোববার থেকে সকল ব্যাংকের শাখা খুলা


রোববার ১৯ এপ্রিল থেকে সরকারি-বেসরকারি সকল ব্যাংকের শাখা নিয়মিত খোলা থাকবে। বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন শাখার উপমহাব্যাবস্থাপক মোহাম্মদ আমিনুর রহমান চৌধুরী স্বাক্ষরিত ১৩ নম্বর সার্কুলারে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সকাল ১০ টা হতে বেলা ১ টা পর্যন্ত সীমিত আকারে লেনদেন চলবে এবং বেলা ২ টা পর্যন্ত ব্যাংকের নিজস্ব কাজের জন্য খোলা রাখা যাবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ রয়েছে।
সার্কুলারে জনসাধারণের জরুরি আর্থিক প্রয়োজন মেঠানোর লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক সমুহের শাখা খোলা রাখা অবস্থায় সীমিত আকারে ব্যাংকিং কার্যক্রমে নগদ টাকা উত্তোলন ও জমা, ট্রেজারী কার্যক্রম, সরকারি লেনদেন, সরকারি বেতন, ভাতা, অনুদান, সরকারি জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ লেনদেন করা যাবে।
এর আগে গত ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংক করোনা ভাইরাস জনিত লকডাউন (Lockdown) চলাবস্থায় কক্সবাজার সহ সারাদেশে শুধুমাত্র সরকারি ৬টি ব্যাংকের শাখা সীমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছিলো।
এনিয়ে, গত ১২ এপ্রিল কক্সবাজারের প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল কক্সবাজার নিউজ ডটকম-সিবিএন-এ “বেসরকারি ব্যাংক গুলো খোলার ব্যবস্থা নিন, নইলে জনদুর্ভোগ বাড়বে” শিরোনামে একটা কলাম প্রচারিত হয়। যাতে কক্সবাজারে বেসরকারি ব্যাংক গুলো খোলা রাখার ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আবেদন জানানো হয়েছিলো।
একই বিষয়ে বেসরকারি ব্যাংক গুলো খোলা রাখতে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেনও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর সহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকতাদের পত্র দিয়েছিলেন।
সাড়কুলারে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তাদের শাখা সমুহে যাতায়াতে পরিবহন সহায়তা সহ অন্যান্য নিরাপত্তা দিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অনুরোধ করা হয়েছে। ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শাখা খোলা থাকাবস্থায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সকল নির্দেশনা মেনে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ন্যাশনাল ক্রেডিট এন্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড (এনসিসিবিএল) কক্সবাজার শাখার সিনিয়র অফিসার মোহাম্মদ হাসান মাহমুদ চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সীমিত আকারে হলেও সকল তফশিলী ব্যাংক খোলা রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করায় গ্রাহকেরা তাদের জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজন মেঠাতে পারবেন। তাতে করোনা ভাইরাস জনিত সংকটে জনসাধারণের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাগব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.