সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

হাটহাজারীতে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব না মেনেই ঈদের কেনাবেচা






সামাজিক দূরত্ব না মেনেই হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট ও বাজারগুলোতে চলছে ঈদের পণ্য কেনাবেচা। বেশির ভাগ দোকান ও মার্কেটে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ক্রেতা ও বিক্রেতারা অনেকটাই ঘা ঘেঁষাঘেঁষি করে পণ্য বিকিকিনি করছেন।

 করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেও কোথাও কোথাও ছোটখাটো জটলাও দেখা গেছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বার বার বলার পর কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তা তোয়াক্কা করছেনা। ভীড় কমাতে ইউএনও রুহুল আমিন রোববার সকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে হাটহাজারী পৌরসভার কাচারী সড়কটির উভয়পাশে বাঁশ বেঁধে যানচলাচল বন্ধ করে দেন।

বিশেষ করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের বালাই ছিল না। সেখানে অনেককেই মুখে মাস্ক ব্যবহার না করেই ঘুরতে দেখা গেছে। যদিও করোনাভাইরাস বিস্তার রোধে বেশির ভাগ বড় শপিংমল ও মার্কেট বন্ধ রয়েছে। সরকার করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে স্বল্প পরিসরে দোকানপাট খোলা যাবে এমন ঘোষণার পর থেকেই হাটবাজার গুলোতে জনসমাগম আরও ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

জানা যায়, পৌরসদরের অবস্থি বড় বড় শপিং মল গুলো বন্ধ রাখার ঘোষনা দেয় পৌরসভা ব্যবসায়ী সমিতি ও কাচারী সড়ক বনিক সমিতির নেতৃবৃন্দরা। কিন্তু এর মধ্যও অনেক দোকানদার তা অমান্য করে দোকানের কিছু অংশ খোলা রেখে ব্যবসা পরিচালনা চালিয়ে যাচ্ছে। আবার ফুটপাতেরও ছোট ছোট ভাসমান দোকানগুলোও চোঁখে পড়ার মত।

উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, কোন ক্রেতা- বিক্রেতা সামাজিক দূরত্ব না মেনে গাদাগাদি করে কেনাকাটা করছে। উপজেলার সমস্ত হাট বাজার গুলোতে প্রায় সব দোকানেই ঠিক একই রকমের চিত্র। প্রতিটি দোকানেই ক্রেতার ভীড়। তাদের মধ্যে অধিকাংশ মহিলার সাথে থাকা ৫ থেকে ১০ বছরের শিশুদের নেই মুখে মাস্ক।

নেই কোনো শারীরিক দূরত্ব। কিন্তু সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনে কাপড়ের দোকান, কসমেটিক দোকান, জুতা দোকানসহ হরেক রকমের দোকান খুলতে দেখা যায়। সেনাবাহিনীর গাড়ি বা ম্যাজিস্ট্রেট আসছে শোনা মাত্র দোকানের গেট বন্ধ করে দেয় দোকানীরা। প্রশাসন চলে যাওয়ার পর আবার খোলা হয় দোকানপাট।

দোকানিরা কিছুতেই করোনা বিষয়ে সরকারের সতর্কতামূলক স্বাস্থ্যবিধিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না ও তা মানছে না। ফলে বাজারগুলো করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি ব্যাপক হারে বেড়েই চলেছে।
এ ব্যাপারে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন জানান, মহামারী এই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসন সব সময় তৎপর রয়েছে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যেন কেনাবেচা করা হয় সেজন্য প্রতিদিন বাজারগুলোতে সরকারের সতর্কতামূলক স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত হারে বাইরে বের হবার কারণে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিনই অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

এ পর্যন্ত ২৫টি কাপড়ের দোকানকে সাড়ে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। এবং আজকেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাতটি কাপড়ের দোকান তালা

শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.