বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২০

নওগাঁয় যত্রতত্র ফেলছে ব্যবহৃত সুরক্ষা সরন্ঞ্জাম ও প্লাস্টিক পণ্য, বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও পরিবেশ দূষন









পরিবেশ দূষনের অন্যতম কারন হচ্ছে প্লাস্টিক।প্লাস্টিক পণ্যের যথেচ্ছ ব্যবহার ও যত্রতত্র ফেলার ফলে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।

উত্তরের জনপদ নওগাঁ জেলায় লকডাউন পরবর্তী সময়ে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে ব্যবহৃত সুরক্ষা সামগ্রী ও গ্রামে গন্জে  হোটেল ও চায়ের দোকান গুলোতে প্লাস্টিকের গ্লাসের ব্যবহারে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও পরিবেশ  দূষণ।


করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জেলাজুড়ে প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে ই  বেড়েছে প্লাস্টিকের তৈরি গ্লাভস,মাস্ক,এর ব্যাবহার।সেই সাথে জেলা জুড়ে অসংখ্য চায়ের দোকান ও  হোটেল গুলোতে প্লাস্টিকের গ্লাসের  ব্যবহার বেড়েছে লক্ষনীয় মাত্রায়। একবার ব্যবহারের শেষে এসব পন্য ফেলা হচ্ছে যত্রতত্র। এগুলো মিশছে সাধারন বর্জের সঙ্গে। আর এসব বর্জ থেকে যেমন বাড়ছে পরিবেশ দূষন তেমনি ঘটতে পারে পরিবেশের বিপর্যয় এমনটা মনে করছেন। নওগাঁ জেলা  পরিবেশ আধিদপ্তরের সহঃপরিচালক আনোয়ার হোসেন  ।


এবিষয়ে  পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সহঃ পরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন। আমরা মূল্যত নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রয় বা ব্যাবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন  সময় আনেক যায়গায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করেছি।


বর্তমান সময়ে যত্রতত্র এসব ব্যবহৃত সুরক্ষা সরন্ঞ্জাম ও প্লাস্টিক পন্য ফেলায়।যেমন পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা আছে তেমনি বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

এ ক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো ছাড়া বিকল্প কিছু নেই।সম্মেলিত সামাজিক সচেতনতাই পারে আমাদের এই পরিবেশ বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে।

 সাধারন মানুষকে এসব ব্যবহারের সর্বচ্চো সতর্কতা ও পরিবেশ ও প্রকৃতির বিপর্যয় ডেকে আনবে এমন পন্য  ব্যাবহারে নিরুৎসাহিত করতে জেলা পরিবেশ আধিদপ্তর কাজ করছেন বলে জানান নওগাঁ জেলা পরিবেশ আধিদপ্তরের এই সহঃ কর্মকর্তা।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.