শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১

পুটিবিলায় নৌকার মাঝি হতে চান জাঃহোঃ মানিক

 সাদ্দাম হোসেন (লোহাগাড়া প্রতিনিধি) 




মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ ছিদ্দিক আহমদ। তিনি লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের নালারকুল এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন। তার মরহুম পিতা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন। এদেশের জন্য জীবনবাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।এছাড়াও তার পিতা লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মাতা সামশুন্নাহার চৌধুরী একজন (অবসরপ্রাপ্ত) শিক্ষক।  জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক গ্র্যাজুয়েশন(এম.এ) সম্পন্ন করেছেন। পেশায় তিনি একজন সফল মৎস্য ব্যবসায়ী। মৎস্য খামারী হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সম্মাননা স্বারক অর্জন করেছেন। পুটিবিলার মানকে উঁচুতে নিয়ে গেছেন তিনি। তিনি আগামী নির্বাচনে পুটিবিলা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি নৌকা প্রতীক পেলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন।


 জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক এর রাজনৈতিক অবস্হানঃ


জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক ছোটকাল থেকে তার মরহুম পিতার আদর্শকে বুকে নিয়ে কাজ করতেন। তিনি জাতির পিতার আদর্শকে বুকে ধারণ ও লালন করে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি পুটিবিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৯১-৯২ পর্যন্ত ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। ১৯৯৩-৯৪ পুটিবিলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৫-৯৬ সাতকানিয়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। ১৯৯৭-৯৯ চট্টগ্রাম সরকারী সিটি কলেজ ছাত্রলীগের শ্রেণি প্রতিনিধি ছিলেন। ২০১৭ সাল থেকে ২১ পর্যন্ত লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০২১ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি হতে তিনি পুটিবিলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। এখন তিনি আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক এর সামাজিক অবস্হানঃ


তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী। গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেই তিনি চাকরী না করে মৎস্য খামারীর ব্যবসায় সম্পৃক্ত আছেন। একজন সফল মৎস্য খামারী হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সম্মাননা স্বারক গ্রহণ করেছেন। পুরো পুটিবিলা বাসীকে আলোকিত করেছেন।সামাজিক কাজ-কর্মে মানিক সকলের আস্হার প্রতীক।

জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক একজন সুশিক্ষিত ব্যক্তি। তিনি এম.এ গ্র্যাজুয়েট কমপ্লিট করেছেন।পরে ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন।তিনি একজন সমাজের নীতিনির্ধারক হিসেবে বর্তমানে পুটিবিলা হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি,পুটিবিলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি, হযরত শাহজালাল কিন্ডার গার্ডেন এন্ড স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, লোহাগাড়া উপজেলা সামাজিক ব্যাধী প্রতিরোধ ফোরামের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, পুটিবিলা শাহ মজিদিয়া হেফজখানা ও এতিমখানার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সততা ও নিষ্ঠার সাথে।

তিনি পুটিবিলা যৌতুক ও মাদক বিরোধী সম্মিলিত নাগরিক ঐক্য পরিষদের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ লোহাগাড়া উপজেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, পুটিবিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক কো-অপ্ট সদস্য  ছিলেন।


রাজনীতি ও সমাজনীতিতে জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক কেমন? 


রাজনীতি মানেই তো সমাজনীতি। যারা রাজনীতি করেন তাদেরকে সমাজে নেতৃত্ব দিতে হয়,সমাজকে আলোকিত করতে হয়। তিনি পুটিবিলা বাসীর জন্য দীর্ঘদিন ধরে তাদের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেইনি। সমাজে ন্যায় বিচারকে প্রাধান্য দিয়েছেন। সমাজ পরিবর্তনের জন্য কাজ করার চেষ্ঠা করেছেন। রাজনীতি করলেই সমাজে নেতৃত্ব দিতে হয়। পুটিবিলা বাসীকে সেই মানিক নৌকা নিয়ে মানুষের ভালবাসা নিয়ে এলাকাবাসীকে কিছু দিতে চান। সমাজের উন্নয়নে এবং এলাকার উন্নয়নে তিনি কাজ করতে চান। তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক বৈঠক মিমাংসা করেছেন, সমাজে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। এতে করে তিনি অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।


নৌকার মনোনয়ন নিয়ে জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক এর ভাবনাঃ

 পুটিবিলার মানুষ আমার প্রাণ, আমি তাদেরকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি। দীর্ঘদিন ছাত্রলীগ করেছি, আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। আমার মরহুম বাবা একজন জনপ্রিয় চিকিৎসক ছিলেন। আমার মরহুম বাবা এদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।এদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় অসামান্য অবদান রেখেছেন।


আমার প্রতিটি অঙ্গে আওয়ামীলীগের রক্ত বহমান। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা শেখ হাসিনার কাছে অনেক বেশী আশাবাদী,দল আমাকে আগামী নির্বাচনে জনগণের সেবা করার জন্য নৌকা প্রতীক দিয়ে পুটিবিলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সুযোগ করে দিবেন বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।বিশ্ব নেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি অটল আস্হা ও বিশ্বাস যে, নেত্রী মানিক সাহেব কে নৌকার মাঝি করবেন। 


পুটিবিলার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন মানিক।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।