রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৮০০ রোহিঙ্গা বন্দী

নিউজ ডেস্ক ::





চট্টগ্রাম-কক্সবাজার কারাগারে বন্দী রয়েছেন ৮ শতাধিক বিদেশি নাগরিক। যাদের প্রায় সবাই রোহিঙ্গা নাগরিক। তারা ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ পাচার, খুন, ধর্ষণসহ গুরুতর অপরাধে গ্রেফতার হয়ে কারাবন্দী রয়েছেন। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা রোহিঙ্গাদের মধ্যে অপরাধ প্রবণতা কমাতে ‘কার্পেট বোম্বিং অপারেশন’ চালানোর পাশাপাশি বিচার কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন।


অপরাধ বিজ্ঞানী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশেষ গোষ্ঠীর মধ্যে অপরাধ প্রবণতা কমাতে কার্পেট বোম্বিং অপারেশন পরিচালনা করা হয়। রোহিঙ্গাদের মধ্যেই মাদকের মতো অপরাধ প্রবণতা কমাতে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে।

চট্টগ্রাম বারের সিনিয়র আইনজীবী জিয়া হাবিব আহসান বলেন, কারাগারে আটক বিদেশি বন্দীদের বিচার দ্রুততার সঙ্গে করা উচিত। বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে শেষ করা গেলে তার প্রভাব রোহিঙ্গাদের মধ্যে পড়বে।


এতে অপরাধ প্রবণতা দ্রুততার সঙ্গে কমে আসবে। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার দেওয়ান মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম কারাগারে ১০২ জন বিদেশি বন্দী রয়েছেন। তারা প্রায় সবাই মাদক মামলার আসামি। কক্সবাজার কারাগারের জেলার মোস্তফা কামাল জানান, কক্সবাজার কারাগারে প্রায় ৮০০ বিদেশি বন্দী রয়েছেন।

তারা গুরুতর অপরাধে গ্রেফতার হয়ে কারাবন্দী রয়েছেন।

জানা যায়, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা জড়িয়ে পড়ছেন গুরুতর অপরাধে। গত চার বছরে রোহিঙ্গাদের মধ্যে জ্যামিতিক হারে বাড়ছে ১২ ধরনের অপরাধ। এসব অপরাধের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে খুন, ডাকাতি, ধর্ষণ, অপহরণ, অস্ত্র এবং মানব পাচার মামলা। এ ছাড়া মরণ নেশা ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথের ট্রানজিট পয়েন্ট কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্প ঘিরে গড়ে উঠেছে রমরমা মাদক ব্যবসা।


শরণার্থী ক্যাম্প থেকেই মাদক পাচার করতে ব্যবহার করা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের। কেউ রাজি হলে ক্যাম্পের মধ্যেই মাদক চালানের ‘বডি ফিটিং’ করা হয়। এরপর তাদের ইয়াবার চালান দিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। অধিকাংশ চালান পাচারের জন্য মাদক ব্যবসায়ীদের বহুল প্রচলিত ‘ফিশিং’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।