বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১

উখিয়ায় যানজট বেড়েছে, বাস্তবায়ন হয়নি উপজেলার সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক ::





উখিয়া উপজেলার প্রধান প্রধান বাজারগুলোর সড়কের উপর যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও অস্থায়ী দোকানপাট ও বাজার বসার ফলে রাস্তায় বেড়েছে দীর্ঘ যানজট। সাথে বেড়েছে পথচারি ও যাত্রীদের হয়রানি।


সরজমিন পরিদর্শন করে দেখা যায়, উখিয়া উপজেলার পালংখালী, থাইনখালী, বালুখালী, কুতুপালং, উখিয়া সদর,কোটবাজার, মরিচ্যা বাজারের প্রধান সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে গাড়ি পাকিং। রাস্তা, ফুটপাথ দখল করে যে যার মতো সাজিয়ে রেখেছেন যত্রতত্র গাড়ি । ফুটপাথের পাশেই গাড়ি, টমটম, অটো, সিএনজি মিনিবাস, কারসহ অসখ্য যানবাহন থাকে প্রতিনিয়ত । এতে কক্সবাজার টু টেকনাফগামী বাস যাতায়াতের পথ অনকটা ছোট হয়ে পড়েছে। যায় ফলে যানজট লেগেই থাকে ঘন্টারপর ঘন্টা। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিও সমূহের গাড়ি গুলো যাওয়া-আসার সময় যানজটের আকার থাকে তীব্র। যানজটের ফলে দীর্ঘ লাইন অনেক সময় উখিয়া টু কলেজ গেট পর্যন্ত গিয়ে দাঁড়ায়। একদিকে গাড়ির লম্বা লাইন, অন্যদিকে রাস্তার ওপর ভাসমান দোকান গড়ে তুলেছেন স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। এসব দোকান থেকে প্রভাবশালীরা নিয়মিত ভাড়া আদায় করে থাকে বলেও জানা গেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ যাত্রীসহ পথচারীরা। রাস্তার যানজট নিরসন কল্পে ইতিপূর্বে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে উপজেলা হলরুমে উখিয়া থানার ওসি,  এলাকার চেয়ারম্যান, বাজার কমিটির  নেতা, বাস,সিএনজি, টমটম সমিতির নেতাদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হলেও সভার সিদ্ধান্তই সভাতেই থেকে গেছে। সভার কার্যকারিতা মাঠে চোখে পড়েনি।




স্থানীয় বয়োবৃদ্ধ মুরব্বি রশিদ আহমদ জানান, উখিয়া-টেকনাফ সড়কে রাস্তা বড় করে কি লাভ হল। বরং সড়কে যত্রতত্র টমটম, সিএনজি, পার্কিনের কারণে প্রতিনিয়ত যানযটে পড়ে যাত্রী ও পথচারীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। আমরা নিজেরা ঝুঁকির মধ্যে চলাচল করি।এখান থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া কোনদিন যানযট মুক্ত করা সম্ভব নয়।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহামদ সঞ্জুর মোর্শেদ জানান, এনজিওগুলোর বিপুল পরিমাণ গাড়ির ফলে যানজট কিছুটা মাঝেমধ্যে বেড়ে যায়। তবে এনজিও গুলোর গাড়ির টাইম ছাড়া যানজট থাকেনা। তবে যত্রতত্র গাড়ি পাকিং এর বিষয়টি নিয়ে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় আলাপ হবে বলে তিনি জানান।

Ukhiyanews24


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।