বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১

চলেগেছে ঘূর্ণিঝড় ”জাওয়াদ,, সৈকতে লাখো পর্যটক

নিউজ ডেস্ক :

 



ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ এর প্রভাব চলে যাওয়ায় পর্যটকের আনন্দের দৃশ্য, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে আসছে লাখো পর্যটক৷ ইতিমধ্যে সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজেও মিলছে না টিকেট।সপ্তাহের বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবার তিনদিন বেশি পর্যটক কক্সবাজার আসেন৷ শীত মৌসুমে সৈকত ফিরেছে অপরূপ সৌন্দর্য। পর্যটকের পক্ষ থেকে হয়রানি বন্ধ ও নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি। তবে পর্যটকের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে দাবি ট্যুরিস্ট পুলিশের।


জানা গেছে, গত ১৯ আগস্ট থেকে কক্সবাজারের পর্যটন খুলে দেওয়া হলেও ১৭ আগস্ট থেকেই আসতে শুরু করে পর্যটক। ডিসেম্বরের শুরুতে পর্যটক বাড়লেও সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে আবহাওয়া পরিস্থিতি খারাপ হলে কিছুটা কমে যায় পর্যটক।


বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে লাখো পর্যটক সমুদ্রে নামতে দেখা যায়৷ কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে, আবার কেউ কেউ প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে।


হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম সিকদার জানান, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে গত তিনদিন ধরে পর্যটক শূন্য হয়েগেছিল৷ আজ থেকে আবারো পর্যটকের ভীড় হচ্ছে৷ এই সময়ে যা পর্যটকের আগমন ঘটেছে এতেই আমরা সন্তুষ্ট। এখন আর হোটেল মোটেলের ৯০ ভাগ কক্ষই বুকিং হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজে যোগদান করেছেন। আমরা সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কার্যক্রম পরিচালনা করছি। যারা স্বাস্থ্যবিধি মানবে না তাঁরা হোটেলে থাকার সুযোগ পাবে না।


সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী কর্ণফূলী এক্সপ্রেসের পরিচালক বাহাদুর হোছাইন জানিয়েছেন, দূর্যোগপুর্ণ আবহাওয়ার কারণে জাহাজ চলাচল দুইদিন বন্ধ ছিল। এখন আবার সচল হয়েছে। চলতি মৌসুমে পর্যটকের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন জানিয়ে বলেন জানুয়ারীর অর্ধেক সময় পর্যন্ত জাহাজের অর্ধেকেরও বেশী টিকেট অগ্রীম বুকিং হয়ে গেছে।


সুগন্ধা পয়েন্টে সমুদ্র আসা পর্যটক মোজাক্বির বলেন, ‘প্রকৃতির অপরূপ দৃশ্য, যা কক্সবাজার সৈকতে আসলে দেখা মিলে। তবে তা শীত মৌসুমেই সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় লাগে।



 

ঢাকা থেকে আসা মিসবাহ নামের এক পর্যটক বলেন, ‘পর্যটন মৌসুম মানেই কক্সবাজারে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হয়। যেমন শুক্রবারও হওয়াতে রুম পাচ্ছিলাম না। পরে ইজিবাইক চালক দালাল ধরে, অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে হোটেল ঠিক করে দিল। এছাড়াও গাড়ি ও রেস্তোরাগুলোতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। যা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কঠোর হওয়ার দরকার বলে মনে করছি।


এদিকে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মহিউদ্দীন বলেন, সার্বক্ষণিক পর্যটকদের নিরাপত্তায় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে আমাদের পক্ষ থেকে৷


কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ জানান, পর্যটকের সব নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা কাজ করেছে৷

Coxmorning


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।