বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১

বছরের শেষ সময়েও পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে কক্সবাজারে

নিউজ ডেস্ক :



হোটেল কক্ষে খালি নেই, এরপরও পর্যটন শহর কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলোতে বুকিং নেওয়া হচ্ছে-এই অভিযোগ পর্যটকদের। শীতের শুরু থেকেই দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন শহর কক্সবাজারে ভিড় বেড়েছে পর্যটকদের। বছরের শেষদিনকে সামনে রেখে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পর্যটক আছে কক্সবাজারে।


বেশ কিছু হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউসে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন পর্যটকেরা। পর্যটকদের চাপ বাড়ায় কোথাও বুকিং দিয়েও কক্ষ পাচ্ছেন না, আবার কোথাও রুমসেবাও মিলছে না ঠিকঠাক। কোথাও কোথাও আগেভাগে বুকিং দিয়েও ঘণ্টার পর ঘণ্টা কক্ষ খালি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে পর্যটকদের।


পাঁচ তারকা মানের হোটেল রয়েল টিউলিপে ঠিকঠাক সেবা না পেয়ে বিরক্ত একজন ব্যবসায়ী বলেছেন, ‘আগেভাগে বুকিং দেওয়ার পরও ঠিকঠাক সেবা পাইনি। রুম সেবা তো মেলেনি, সবকিছুতে চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। মনে হয়েছে, হোটেল কর্তৃপক্ষ যতটা ধারণক্ষমতা তার চেয়ে বেশি বুকিং দিয়েছে।’


তবে রয়েল টিউলিপের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবরার বলেছেন, ‘এমনটা হওয়ার কথা নয়, তবে এখন একটু পর্যটকদের চাপ আছে। সে জন্য হয়তো সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে একটু এদিক-ওদিক হতে পারে। হয়তো শতভাগের জায়গায় ৯০ শতাংশ হয়েছে। কিন্তু পর্যটকেরা ঠিকঠাক সেবা পাবেন না, এমনটা হতে পারে না।’


আবরার আরও বলেন, ‘আমাদের হোটেলে ধারণক্ষমতা ৩৫০ কক্ষের। কক্ষের বেশি বুকিং দেওয়ার সুযোগ নেই। দুই ভাবেই হোটেলে বুকিং দেওয়া হয়। সরাসরি ও ঢাকা থেকে। অনেক পর্যটক ভোরেই চলে আসেন। এ ক্ষেত্রে রুম খালি হওয়ার জন্য মাঝে মাঝে তাঁদের একটু অপেক্ষা করতে হয় স্বাভাবিকভাবেই।’


অনেক সময় হোটেল কক্ষে অতিরিক্ত বুকিং দিতে হয় বলে জানিয়েছেন আরেকটি হোটেলের ব্যবস্থাপক। তিনি নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় বুকিং দিয়েও অনেক পর্যটক আসেন না, সে ক্ষেত্রে কক্ষগুলো খালি পড়ে থাকে। এখন পর্যটনের ভরা মৌসুম, তাই পর্যটকদের ভীষণ চাপ। এই সময় কক্ষ খালি থাকা মানে আমাদের ক্ষতি। তাই কখনো কখনো বাড়তি বুকিং দিতে হয়।’


হোটেল ও রেস্তোরাঁ মালিকদের সমিতির সমন্বিত মোর্চা ‘ফেডারেশন অব ট্যুরিজম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’-এর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কক্সবাজার সৈকত এলাকার ৪৬৯টি হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস (নিবন্ধিত ৪২৬টি ও অনিবন্ধিত ৪৩ টি) আছে। এসব হোটেল, মোটেল ও গেস্টহাউসে ধারণক্ষমতা আছে ১ লাখ ৬০ হাজার।


ফেডারেশন অব টুরিজম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার জানিয়েছেন, গত ১৬ ডিসেম্বর এক দিনে রেকর্ডসংখ্যক ২ লাখ ৭০ হাজার থেকে ৩ লাখ পর্যটক কক্সবাজারে এসেছিলেন। এরপর পর্যটক সংখ্যা কমেছিল। তবে বছরের শেষদিনকে সামনে রেখে আবারও পর্যটক বেড়েছে।


যদিও হোটেল অফিসার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ জানান, ‘তিন তারকা মানের হোটেলগুলোতে এখন ৬০ শতাংশ বুকিং আছে। তবে পাঁচ তারকা মানের হোটেলগুলোতে শতভাগ বুকিং আছে।

ukhiyanews


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।