সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২১

মাইকের উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ উখিয়াবাসী

নিউজ ডেস্ক :



সুখবর, সুখবর, সুখবর। উখিয়া এলাকাবাসীর জন্য সুখবর।

মেডিসিন, প্রসূতি ও শিশুরোগ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, ডাক্তার সাহেব প্রতি মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার নিয়মিত রোগী দেখবেন’ ‘মেলা মেলা মেলা, সিমের ধামাকা মেলা’ ‘ছাড় ছাড় ছাড়। ফ্রিজ কিনলেই বিশাল ছাড়’ কৃষক ভাইদের জন্য সুখবর।


এমন সব সুখবরের মাইকিং উখিয়াবাসীর জন্য এখন নিত্য দিনের যন্ত্রণা।


এ বিষয়ে সাংবাদিক সরওয়ার আলম শাহীন বলেন , সকাল থেকেই শুরু হয় মাইকের যন্ত্রণা। ডাক্তার, সিম বিক্রি থেকে শুরু করে বিরাট ছাড়ের খবর পর্যন্ত উচ্চ শব্দে মাইক বাজাতে থাকে। মাইকিংয়ের প্রচারে মানা হয় না সরকারি নিয়ম।


তিনি আরো বলেন, মাইকের যন্ত্রণায় অনেক সময় , প্রশাসন, থানা পুলিশ, প্রশাসনিক বিভিন্ন দফতরের কর্মকাণ্ড এবং বিদ্যুতের জরুরি ঘোষণাগুলো খেয়াল করা হয় না। সেজন্য সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।


উখিয়া বাজারের ব্যবসায়ী মফিজ মিয়া জানান, আগে প্রধান প্রধান সড়কে মাইকে এসব কার্যক্রম হলেও বর্তমানে পাড়া-মহল্লায় হচ্ছে এসব প্রচার। নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই, উচ্চ শব্দে ভোগান্তির কথা বিবেচনা করছে না কেউ।


শব্দ দূষণ সম্পর্কে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মহিউদ্দীন মহিন বলেন, উচ্চ শব্দ অদৃশ্য শত্রু। সবাই আক্রান্ত হচ্ছে। এ দূষণে শিশুরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শব্দ দূষণের ফলে বধিরতা, রক্তচাপ বৃদ্ধি, হৃদযন্ত্রের জটিলতা, ঘুমের সমস্যা, মাথা ব্যাথা,মানসিক অস্থিরতাসহ অনেক রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তাই শব্দযন্ত্রের ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।



 

শব্দযন্ত্রের অতিমাত্রায় ব্যবহার নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয় সচেতন মহলও। তাদের দাবি, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন মতে অনুমোদিত ব্যক্তি বা সংস্থা ছাড়া শব্দযন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নেয়া প্রয়োজন। আবাসিক বা নীরব এলাকায় দিনের বেলা ৫০ ও রাতের বেলা ৪০ ডেসিবেলের বেশি শব্দ ব্যবহারের অনুমোদন নেই। ভবিষ্যতের স্বার্থে শব্দ যন্ত্রের পরিমাণ নির্ধারণ প্রয়োজন।



 

এনজিও কর্মী খাইরুল হক বলেন, উচ্চ শব্দে মাইকিংয়ের ফালে শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধদের চরম ক্ষতি হয়। নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সময়ে মাইকিং করা দরকার।

Ukhiyanews


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।