রবিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২২

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে থানা ভবনে উঠে আত্মহত্যার চেষ্টা করে উখিয়ার কিশোর!






কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভবনে উঠে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এক কিশোর। তার নাম ওসাইমিম। মূলত প্রেমে ব্যর্থ হয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করছিল ওই কিশোর। তার কাছ থেকে একটি চিরকুটও উদ্ধার করেছে পুলিশ।


শনিবার বিকেল চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওসাইমিম উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের শাহজাহানের ছেলে। শহরের বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমির ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তারা বর্তমানে শহরের পাহাড়তলী কচ্ছপিয়াপুকুর এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন।


বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সেলিম উদ্দিন জানান, কনস্ট্রাকশনের কাজ করার জন্য থানা ভবনের বাইরে তৈরী করা অস্থায়ী সিঁড়ি বেয়ে হঠাৎ ওই কিশোর তিনতলার সানসেটে উঠে যায়৷ এরপর সেখানে নিজের গায়ে বেøড দিয়ে আঘাত করে সে।


পরে ওসি মুনিরুল গিয়াস তিনতলার ওই সিঁড়িতে উঠে তাকে আত্মহত্যা না করার জন্য নানাভাবে বুঝানোর চেষ্টা করে। ততক্ষণে নিচে পুলিশ কম্বল এবং অন্যান্য জিনিসপত্র দিয়ে লাফ দিলেও যাতে প্রাণহানি না ঘটে সেজন্য ব্যবস্থা নেয়। পরে ওসি মুনিরুল গিয়াস ওই কিশোরকে বুঝাতে সক্ষম হলে সে নিচে নামতে রাজি হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস চেষ্টার পর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সে সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন। চিকিৎসকরা বলেছেন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সে। তবে শঙ্কামুক্ত।


পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি তদন্ত আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে অপর এক ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছে কিশোর ছাত্রটি। যে সম্পর্কে পরিবার মেনে নিতে চাইনি। যার কারণে ১৫ দিন আগেও একই ধরণের আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।


তার হাতে পাওয়া চিরকুটেও একই তথ্য মিলেছে বলে জানিয়ে ওসি বলেন, সে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে থানা ভবনে উঠে পড়েছিলো। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় থানা ভবন চিনতে পারেনি বলেও জানায় সে। সেখানে উঠে হাতে বেøড দিয়ে শরীরের ক্ষতও তৈরি করে। বর্তমানে তার পরিবারের হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে কিশোরটি।


তার হাতে পাওয়া চিরকুটেও একই তথ্য মিলেছে বলে জানিয়ে ওসি বলেন, সে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে থানা ভবনে উঠে পড়েছিলো। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় থানা ভবন চিনতে পারেনি বলেও জানায় সে। সেখানে উঠে হাতে বেøড দিয়ে শরীরের ক্ষতও তৈরি করে। বর্তমানে তার পরিবারের হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে কিশোরটি।

কক্সবাজার জার্নাল 


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।