শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২

"মসজিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে পাবনার কোলচুরি গ্রামে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ "




আমির হোসেনঃ গত ০৮/০৮/২২ ইং তারিখ  সোমবার  রাত আনুমানিক  ৯.৩০ মিনিটে পাবনার চরতারাপুর ইউনিয়নের কোলচুরি গ্রামে ইমাম নিয়োগ কে কেন্দ্র করে গোলাগুলি ও  সংঘর্ষ তৈরি হয়।  

এলাকাবাসীর নিকট জানা যায়,  স্থানীয় সন্ত্রাসী ডাঃ আব্দুল মজিদ (৫৫) এর নেতৃত্বে তার বাহিনী  ৩/৪ শো জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র ও দেশীয় বন্দুক নিয়ে মসজিদের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল মোকছেদ (৪৮) প্রামানিক - এর বাসায় গিয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি করে, একপর্যায়ে তাকে না পেয়ে এলোপাতাড়ি গোলাগুলি ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়,

মোঃ মোকছেদ (প্রামানিকের) ভাইয়ের ছেলেরা ও ভাগ্নেরা এগিয়ে এসে জানতে চাইলে তাদের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা শুরু করে,  

মোঃ মোকছেদ এর ভাইয়ের ছেলে -  ১. মোঃ ইমরান (১৬) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিঠে এলোপাতাড়িভাবে কোপ  দেয়,  আর এক চাচাতো ভাইয়ের ছেলে - ২. মোঃ তুশার (২১) কে চাপাতি দিয়ে মাথায়, পিঠে ও দুই হাতের আঙ্গুলে কোপ দিয়ে জখম করে ফেলে, আর এক  চাচাতো ভাইয়ের ছেলে - ৩. মোঃ সুরুজ (১৮) কে হাতুড়ি দিয়ে সমস্ত শরীরে আঘাত করে, তার ভাগিনা  - ৪. মোঃ শাকিল (২০) কে দেশীয় বন্দুক দিয়ে গুলি করে, গুলিটা পেট ঘেশে বের হয়ে যায়, পেটে কিছুটা জখম হয়, তার শ্যালক  - ৫. মোঃ খোকন (২৮) কে মাথায় দাও দিয়ে  কোপ দেয়, তার দুলাভাই - ৬. মোঃ ইকবাল (৫০) কে চাপাতি দিয়ে মাথায় কোপ দেয়,  

আহত জনরা কেউ কেউ রাজশাহী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এদের মধ্যে মোঃ তুশার (২১) এর অবস্থা আশঙ্কাজনক, জীবন মরণ নিয়ে খেলা করছে। তার সমস্ত শরীরে ৩২ টা সেলাই করা হয়েছে। 

সন্ত্রাসী ডাঃ আব্দুল মজিদ এর সম্বন্ধে এলাকাবাসী বলেন স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর মদত দাতা হিসেবে কাজ করতো, সে নাকি রাজাকার ছিলেন, এখন সে গোপনে বিএনপি ও জামাত-শিবিরের মদদদাতা অর্থ যোগান কারি হিসাবে কাজ করে।

তার ছোট ভাই মোঃ মাসুদ (৪৫) চরতারাপুর ইউনিয়নের বিএনপির প্রচার সম্পাদক।

এলাকাবাসীর আরো বলেন,  সন্ত্রাসী ডাঃ আব্দুল মসজিদ এর বংশধররা সবাই বি এন পি ও জামাত শিবিরের সমর্থকারী। 

এলাকাবাসীরা আরো বলেন,  সন্ত্রাসী মুজিদকে আওয়ামীলীগ  এর কোন মিটিং মিছিল অনুষ্ঠানে কখনও দেখা যায়নি।  

সে এখন মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড টানিয়ে এলাকাবাসীকে বলে বেড়ায়, আমি এখন আওয়ামীলীগ করি এবং এলাকাবাসীকে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সব সময় ভয়ে আতঙ্কে রাখে।

ভুক্তভোগীরা জানান, থানায়  তাদের এ পর্যন্ত কোন মামলা নেওয়া হয়নি।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios:

ধন্যবাদ আপনার সচেতন মন্তব্যের জন্য।